হাতে আর কয়েকটা দিন। কৌশিকী অমাবস্যার আগে নতুন সাজে সেজে উঠছে তারাপীঠ। একদিকে দীর্ঘ প্রায় ১০ মাস বন্ধ থাকার পর ফের দ্বারকা নদের পাড়ে শুরু হতে চলেছে সন্ধ্যারতি, অন্যদিকে কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে রামপুরহাট থেকে তারাপীঠ পর্যন্ত চলছে সাজসজ্জার কাজ। একেবারে আলোর মালায় সেজে উঠছে রাস্তার দু’ধার, নতুন রঙে সাজানো হচ্ছে মুনসভা মোড়ের তারাপীঠ তোরণ। তোরণের পাশেই তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী মঞ্চ। সব মিলিয়ে কৌশিকী অমাবস্যার আগে উৎসবের আমেজে সেজে উঠছে তারাপীঠ।
আগামী ১০ সেপ্টেম্বর কৌশিকী অমাবস্যা। এই বিশেষ তিথিকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই তারাপীঠে পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। শুধু রাজ্য থেকে নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা ভিড় জমান তারাপীঠে। এ বছর সেই উৎসবকে আরও বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে তুলতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন ও তারাপীঠ মন্দির কমিটি। তারই অন্যতম বড় উদ্যোগ দীর্ঘ প্রায় ১০ মাস পর দ্বারকার পাড়ে ফের সন্ধ্যারতি চালু করা। কৌশিকী অমাবস্যার দিন থেকেই নদের পাড়ে এই সন্ধ্যারতির আয়োজন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
শুধু দ্বারকা নদের পাড় নয়, কৌশিকী অমাবস্যার আগে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে রামপুরহাট থেকে তারাপীঠ যাওয়ার রাস্তাটিও। রাস্তার দু’ধারে বিভিন্ন জায়গায় চলছে আলোকসজ্জার কাজ। বিশেষভাবে নজর কাড়ছে রামপুরহাট সংলগ্ন মুনসভা মোড়ে অবস্থিত ‘তারাপীঠ তোরণ’। নতুনভাবে রং করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে এই তোরণটিকে। তোরণের বিভিন্ন অংশে লাগানো হচ্ছে আলোর সাজ। ফলে রাতের অন্ধকারে আলোকমালায় আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে তারাপীঠে প্রবেশের এই গুরুত্বপূর্ণ তোরণ। তোরণের ঠিক পাশেই তৈরি করা হচ্ছে অস্থায়ী মঞ্চ। সেখানে কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এছাড়াও কপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি-সহ একাধিক চমক ভক্তদের জন্য থাকছে বলেই জানা গিয়েছে।