• পথে গোরু-বাছুর, স্মার্ট নিউ টাউনে ঝুঁকির মুখে চালক, রাতের শহরে বাড়ছে দুর্ঘটনা
    এই সময় | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • প্রশান্ত ঘোষ, রাজারহাট

    সূর্য ডুবলেই বিপদ বাড়ছে নিউ টাউনে! নিউ টাউনের সাপুরজি মোড় থেকে হাতিশালা পর্যন্ত রাস্তার উপরে রাতের অন্ধকারে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে গোরু, বাছুর, মোষের মতো গবাদি পশু। ঘুরছে যথেচ্ছ সংখ্যায় কুকুর, শেয়ালও। বহু জায়গায় স্ট্রিট লাইট অকেজো, বেশ কিছু জায়গায় পর্যাপ্ত ট্র্যাফিক নজরদারিও নেই। ফলে দ্রুত গতির গাড়ির সামনে আচমকা গবাদি পশু চলে আসায় প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে দুর্ঘটনার পরিস্থিতি।

    স্থানীয়দের প্রশ্ন, ২০১৭-য় গবাদি পশুর জন্য প্রাণ গিয়েছিল তিন বাইক আরোহীর। ২০১৯-এ রাস্তায় জন্তু–জানোয়ার উঠে আসা রুখতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তা হলে এখনও কেন একই ছবি? কয়েক দিন আগেই এই রাস্তায় বিপদের মুখে পড়েন ভাঙড়ের বাসিন্দা রঞ্জিত দাস। কাজ সেরে মোটরবাইকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সাপুরজি মোড় পেরোতেই আচমকা সামনে চলে আসে একটি বাছুর।

    রঞ্জিত বলেন, 'মোটরবাইক নিয়ে বেশ জোরেই আসছিলাম। বাছুরটি আচমকা রাস্তায় চলে আসায় জোরে ব্রেক কষতে বেসামাল হয়ে পড়ে যাই। অন্য মোটরবাইক আরোহীরা তুলে দেন। পিছন থেকে তখন কোনও বড় গাড়ি এলে কী হতো, ভাবতেই ভয় লাগছে!'

    অভিযোগ, সাপুরজি লাগোয়া আকন্দকেশরি, বালিগড়ি, কাঁঠালবেড়িয়া, গাবতলা, হাতিশালা-সহ আশপাশের এলাকা থেকে খাবারের সন্ধানে গোরু, ছাগল, কুকুর নিয়মিত নিউ টাউনের অ্যাকশন এরিয়া ৩–এর বিভিন্ন এলাকায় ঢুকে পড়ছে। খাবারের সন্ধানে জঙ্গল থেকে দল বেঁধে বেরিয়ে আসছে শেয়ালও। দিনের আলোয় দূর থেকে পশু দেখা গেলেও বর্ষার রাতে কম দৃশ্যমানতায় বিপদ আরও বাড়ছে। গাড়িচালক সাধন মণ্ডলের কথায়, 'বৃষ্টির রাতে সামনে কী রয়েছে, চট করে বোঝা যায় না। আচমকা গোরু বা বাছুর সামনে চলে এলে গাড়ি সামলানোর সময় থাকে না।'

  • Link to this news (এই সময়)