গুপ্তা-জয়সওয়ালরা না থাকলে বাঙালির অস্তিত্ব থাকত না: শমীক
২৪ ঘন্টা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দুর্গাপুজো খুঁটিপুজোয় ১৯৪৬ সালের দাঙ্গার প্রসঙ্গ। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলে বসলেন, 'গুপ্তা বা জয়সবালের মতো অবাঙালি সম্প্রদায় পাশে না-থাকলে উত্তর কলকাতায় ভদ্রলোক, বনেদি বাঙালির অস্তিত্ব থাকত না'! বিতর্ক তুঙ্গে।
বউবাজারের শতদল সংঘের ঘুঁটিপুজো শমীক। সঙ্গে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, , উত্তর কলকাতার বিজেপি সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। শমীক বলেন, 'এ বার অন্য রকম দুর্গাপুজো দেখবে পশ্চিমবঙ্গ'। তাঁর অভিযোগ, 'দুর্গাপুজোর বিসর্জনের গতিমুখ বদলে দেওয়া হল। সরকার নিয়ন্ত্রণ করে দিল, করে বিসর্জন হবে। পুরনো সরকারের পক্ষ থেকে বলে দেওয়া হয়েছিল, তারা পুজোর নির্ঘণ্ট তৈরি করে দেবেন, তারা বিসর্জন দেবেন'। এরপর স্বাধীনতা ও দেশভাগ-পূর্ববর্তী দাঙ্গা প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।
শমীক বলেন, 'উত্তর কলকাতায় দাঁড়িয়ে যে কথাটা না-বললেই নয়, যদি গুপ্তা, জয়সওয়ালরা না-থাকতেন, তাঁরা যদি নিজেদের সম্পূর্ণ সম্পদ উজাড় করে তলোয়ার তৈরি করবার জন্য লোহা না-দিতেন, আজকের আমরা এই উত্তর কলকাতার ভদ্র লোকজন, বনেদি বাঙালি যাঁরা আছি, তাঁদের অস্তিত্ব থাকত না। তাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সংঘবদ্ধ ভাবে তাঁরা থেকেছেন। কলকাতাকে চিনতে হলে এখানে (উত্তর কলকাতায়) আসতে হবে'।
তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, 'বাঙালির ঐতিহ্য, স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে। বাঙালি তার নিজস্ব সত্তা, নিজস্ব পরিচয়ে উজ্জ্বল। কিন্তু তাঁরা (গুপ্তা, জয়সবাল) পাশে না-থাকলে বাঙালি থাকত না, এমন মন্তব্য আশা করিনি'।