ডিজিটাল মিডিয়ার যুগে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা পেতে মরিয়া বর্তমান প্রজন্ম। রাস্তাঘাট, মেট্রো স্টেশন, ভিড় বাজার থেকে শুরু করে চলন্ত ট্রেনের দরজা— ক্যামেরা অন করে নাচ-গান বা অভিনয় এখন নিত্যদিনের দৃশ্য। তবে লাইক আর ভিউ পাওয়ার এই নেশা সাধারণ মানুষের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠছে। কিন্তু এ বার মেট্রোয় রিল বানানো নিয়ে বড় পদক্ষেপ দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের। সম্প্রতি চলন্ত ট্রেনের কাচে আঠা বা সাকশন মাউন্ট (suction mounts) দিয়ে ফোন আটকে রিল বানানোর বিপজ্জনক ট্রেন্ড বেশ ভাইরাল। বিষয়টি রেল কর্তৃপক্ষের নজরে আসতেই একাধিক প্ল্যাটফর্মে নির্দেশিকা জারি করে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানানো হয়েছে, দিল্লি মেট্রো চত্বরে ভিডিয়ো শুট বা রিল বানানো সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ। এর পরেও যদি কোনও কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা ইনফ্লুয়েন্সারকে এমন বিপজ্জনক কাজ করতে দেখা যায়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমন ঝুঁকির কাজ কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষ। এমনকী ফাইন পর্যন্ত হতে পারে।
DMRC তাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, বেশ কয়েকজন ইনফ্লুয়েন্সার চলন্ত ট্রেনের কাচে ফোন আটকে ভিডিয়ো শুট করছেন। এই ধরনের কার্যকলাপ সাধারণ যাত্রীদের যেমন বিরক্তের কারণ, তেমনই যাত্রীদের চলাচলে বাধাও দিচ্ছে। এমনকী, যে কোনও সময়ে ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। সেই কারণেই কড়া পদক্ষেপ করতে বাধ্য দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
১. প্রশ্ন: মেট্রোয় রিল বানানো নিয়ে দিল্লি মেট্রো কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
উত্তর: দিল্লি মেট্রো চত্বরে ভিডিয়ো শুট বা রিল বানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২. প্রশ্ন: কোন ধরনের রিল নিয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে?
উত্তর: চলন্ত মেট্রোর কাচের বাইরে সাকশন মাউন্ট বা আঠার সাহায্যে মোবাইল আটকে বিপজ্জনক ভিডিয়ো তৈরির প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৩. প্রশ্ন: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কী হতে পারে?
উত্তর: কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা ইনফ্লুয়েন্সারদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। জরিমানাও হতে পারে।
৪. প্রশ্ন: কেন এই ধরনের রিলকে বিপজ্জনক বলা হচ্ছে?
উত্তর: চলন্ত ট্রেনের কাছে এই ধরনের ভিডিয়ো তৈরির ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের চলাচলেও বাধা তৈরি হতে পারে।