লিভ ইন পার্টনারকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পিটিয়েছিলেন যুবক। বুকে-পেটে লাথি-ঘুষি মেরেছিলেন। তার জেরে মৃত্যুও হয় মহিলার। তাঁকে খুনের অভিযোগে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করার পরে তাঁকে সেই ঘটনাস্থলেই নিয়ে গিয়ে বেধড়ক পেটাল পুলিশ। তাঁকেও রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। তার একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা এই সময় অনলাইন যাচাই করেনি।
বছর চল্লিশের কাজলবেন বরাইয়াকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ২০ বছর বয়সি ফয়জ়ল ওরফে খাটকি লখানি। অভিযোগ, গত ৩ সেপ্টেম্বর ভাবনগর বাসস্ট্যান্ডে তিনি যে ভাবে লিভ ইন সঙ্গী কাজলবেনকে মারধর করেছেন, তার জেরেই পরের দিন তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে ফয়জ়লকে দড়ি দিয়ে বেঁধে অকুস্থলে নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
প্রকাশ্যে আসা ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মী যুবককে ঘিরে ধরে মারধর করছেন। তাঁকে লাঠি দিয়েও মারা হচ্ছে। এই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পরেই সমালোচনার মুখে পড়েছে পুলিশ।
তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, অনেক দিন ধরেই একসঙ্গে থাকছিলেন কাজলবেন এবং ফয়জ়ল। সম্প্রতি তাঁদের সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। ফয়জ়ল সন্দেহ করেছিলেন, কাজলাবেন রবি গোহিল নামে এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। ঘটনার দিন বাসস্ট্যান্ডে এই বিষয়টি নিয়েই তাঁদের মধ্যে বচসা চলছিল। অভিযোগ, সেই সময়েই মহিলাকে মারধর করেন ফয়জ়ল। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরে কাজলাবেনের মা খুনের অভিযোগ দায়ের করেন ফয়জ়লের বিরুদ্ধে। তার পরেই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।