শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান থেকে দু’টি বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। শনিবার নিউ টাউনের কনভেনশন সেন্টারের বিদ্যাসাগর শিক্ষা সম্মান অনুষ্ঠান থেকে তিনি বলেন, ‘প্রতি জেলায় দু’টি করে সিএমশ্রী স্কুল হবে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ও পশ্চিমাঞ্চলে গড়ে তোলা হবে সেন্টার ইন এক্সলেন্স ইন স্পোর্টস সেন্টার।’ পাশাপাশি স্কুলের সিলেবাসে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিতও দেন তিনি।
সেন্ট্রাল স্কুলের ধাঁচে সিএমশ্রী স্কুল হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘এটা মুখ্যমন্ত্রীশ্রী স্কুল। জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ের মতো ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে। সেরা শিক্ষক, আধুনিক ল্যাবরেটরি-সহ সব রকমের উন্নত পরিকাঠামো থাকবে।’
এর সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ও পশ্চিমাঞ্চলে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সি স্পোর্টস নামে দু’টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ঘোষণা করেন তিনি। এখানেও এসএসসি-র মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ‘প্রচুর ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাক্টর নিয়োগ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ছাত্রছাত্রীরা যাতে আগামী দিনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সফল হতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’
এ দিন সিলেবাস বদলের ইঙ্গিতও দেন শুভেন্দু। সেই প্রসঙ্গেই পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেসের জমানাকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, ‘টাটাকে তাড়ানো নিয়ে এক পাতা লেখা রয়েছে। কিন্তু স্বামী প্রণবানন্দকে নিয়ে এ লাইনও নেই।’ পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির ইতিহাসও ছাত্রছাত্রীদের পড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। আগের সরকার গত তিন বছর ধরে কম্পোজিট ফান্ডের টাকা আটকে রেখেছিল বলেও তোপ দাগেন শুভেন্দু।
রাষ্ট্রবাদী লোকজনকে একজোট হয়ে থাকার বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশ্ন তোলেন, ‘পুরো বন্দে মাতরম গাইতে আপত্তি কেন? পহেলগামে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদ করে না, কিন্তু পাকিস্তান আক্রমণ করলে বলে, যুদ্ধ নয় শান্তি চাই।’ অবিভক্ত ভারতের কথাও তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাজাকিস্তানের বর্ডার পর্যন্ত আমাদের ছিল। কাটতে কাটতে আমরা কত ছোট হয়ে গিয়েছি আমরা।’