• সবুজ বাজির দুর্নীতি, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিত জিপিটির
    বর্তমান | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বজবজ: সবুজ বাজির নাম করে দীর্ঘসময় ধরে রাজ্যজুড়ে দেদার লুটের রাজত্ব চলেছে। পাশাপাশি সাধারণ কর্মীদের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে আর্থিক শোষণ করেছেন তথাকথিত মাতব্বররা। সেই লুট ও দুর্নীতি চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণে উদ্যোগী হয়েছে গ্রিন পাইরোটেক ট্রাস্ট (জিপিটি)। এমন দাবি করেছে সংস্থাটি।

    সামনে দুর্গোৎসব ও দীপাবলী। স্বাভাবিকভাবে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠন ও উৎপাদকদের পরিকল্পনার পাশাপাশি সরকারের ভাবনাচিন্তা কি, তা নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। কলকাতার শিল্পসদনে শিল্পদপ্তরের সচিব পর্যায়ের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক হয়। তাতে দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলার বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠন অংশ নিয়েছিল। সেখানেই সবুজ বাজি নিয়ে আলোচনার সময় এই প্রসঙ্গ ওঠে। তিনবছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে বাজি বিস্ফোরণে মৃত্যুর ঘটনা এবং একের পর এক বাড়ি ভেঙে যাওয়ার প্রসঙ্গ ওঠে। এই জেলা থেকে জিপিটি’র সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর মান্না অংশ নিয়েছিলেন। তিনি শিল্পদপ্তরের আধিকারিকদের বলেন, সবুজ বাজি নিয়ে ক্লাস্টার গঠনে জমির ব্যবস্থা রাজ্য সরকারকে করতে হবে। এর আগে অশোকনগর ও বারাসতের বর্তির ঝিলের জায়গাতে হবে বলে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অশোকনগর দূর হয়ে যাওয়াতে তা বাতিল হয়। বর্তির ঝিল নিয়ে পরিবেশ দপ্তরের আপত্তিতে আটকে যায়। এবার জিপিটি বিষয়টি দ্রুত সমাধানের ব্যাপারে আলোচনা করেছে। সবুজ বাজি উৎপাদনের জন্য প্রতিটি জেলায় আলাদা ক্লাস্টার গঠন করতে হবে। পাশাপাশি অবৈধ (সবুজ বাজি নয়) বিপজ্জনক বাজি বিক্রি রোধে প্রতিটি জেলাতে পৃথক বাজার গঠন করতে হবে। কলকাতাতে প্রচলিত দু’টি বাজির বাজারের সঙ্গে আরও দু’টি অতিরিক্ত বাজার চাই। এমন দাবি করেছেন জিপিটি’র প্রতিনিধিরা।
  • Link to this news (বর্তমান)