জলঙ্গি: পদ্মায় লাগাতার জল বাড়ছে। তার জেরে জলঙ্গির সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে বন্যা ও নদীভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রবিবার বিএসএফ কর্তাদের সঙ্গে নিয়ে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচীন মক্কর। যৌথ পরিদর্শনে পুলিশ সুপারের সঙ্গে ছিলেন লালবাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডোমকলের এসডিপিও, ডোমকলের সার্কল ইনস্পেক্টর এবং জলঙ্গি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক-সহ পুলিশ আধিকারিকেরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সীমান্তবর্তী তিনটি গ্রামের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন পুলিশ আধিকারিকেরা। নদীর জল বাড়ার ফলে কোথাও ভাঙন শুরু হয়েছে কি না, নিচু এলাকায় বন্যার আশঙ্কা কতটা-সেই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখা হয়।
পাশাপাশি, পরিস্থিতির অবনতি হলে কী ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়েও আলোচনা হয়। সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিয়েও বিএসএফ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার। পরে একটি বিএসএফ ক্যাম্পও পরিদর্শন করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে শচীন মক্কর বলেন, 'মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার মোট ছ'টি থানা এলাকা আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া। সেই সীমান্ত এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই এই যৌথ পরিদর্শন। নদীতে জল বাড়ার ফলে কোথাও ভাঙন হচ্ছে কি না, সাধারণ মানুষের কী কী সমস্যা হতে পারে-তা জানা আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল।'
পুলিশ সুপার জানান, বিএসএফের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্টও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি কী ভাবে আরও উন্নত করা যায়, তা নিয়েও পরিকল্পনা চলছে। পদ্মার জলস্তর আরও বাড়লে জলঙ্গির নিচু এলাকাগুলিতে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে জলস্তর এবং ভাঙন পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছে পুলিশ ও বিএসএফ।