• বাঁচার স্বস্তি নিয়ে খাবার দিচ্ছে ঝাঁপা, নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের রেশ উত্তরবঙ্গেও
    এই সময় | ২৮ আগস্ট ২০২৬
  • মিঠুন ভট্টাচার্য, পানিট্যাঙ্কি

    আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি। শঙ্খ ঘোষের এই পঙক্তি ফের সত্যি হয়ে উঠেছে। নেপালে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষ। সাধ্যমতো খাদ্যসামগ্রী পাঠাচ্ছেন কাঁকরভিটা ও ঝাঁপা জেলার বাসিন্দারা। বিস্কুট, নুডলস, শিশুদের দুধ, স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে দুর্গত এলাকায় যাচ্ছেন পেম্বা রাই, মায়া রাই, সুনীতা লিম্বু, পেমা শেরপারা। এ সব তাঁরা কিনছেন ভারতের পানিট্যাঙ্কি বাজার থেকে। নেপালের একদিকে ভয়াবহ বিপর্যয় হলেও পূর্বদিকে বাংলা সীমান্তের মানুষেরা স্বস্তিতে আছেন। বন্যার কোনও প্রভাবই এ পাশে পড়েনি।

    বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে বারোটা। পানিট্যাঙ্কি সীমান্তের মেচি সেতুর নীচে বয়ে যাওয়া জল দেখে বোঝার উপায় ছিল না, মাত্র এক দিন আগে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূরে ভোটেকাশি নদীতে কী ভয়াবহ প্লাবন হয়েছে। সেতুটির প্রায় ৭০ শতাংশ ভারতীয় ভূখণ্ডে, বাকি অংশ নেপালে। সেতু পার হলেই নেপাল পুলিশের ক্যাম্প।

    এই পথে নেপালে ঢুকছিলেন কয়েক জন। সকলের হাতেই ছিল নানা জিনিসপত্র। নেপালি ক্যাম্পের জওয়ান জানতে চান, কার্টনে কী আছে। সবাই জানান, খাবার নিয়ে যাচ্ছেন। অনিতা লিম্বু বলেন, 'নুয়াকোটে আত্মীয়-বন্ধুরা রয়েছেন। অনেকেরই বাড়িঘর উজাড় হয়ে গিয়েছে। ওঁদের জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছি।'

    সুনীতা বলেন, 'আমি হোটেলে কাজ করি। হাতে কয়েক হাজার নেপালি টাকা ছিল, তার প্রায় সবটাই খাবারের জিনিস কিনতে খরচ করে ফেলেছি। টোটো ভাড়া না করে টাকা বাঁচাচ্ছি।'

  • Link to this news (এই সময়)