• পেলেট গান: আলোচনার দাবি বিরোধীদের, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উত্তেজনা, ১৯৮৪ শিখ বিরোধী দাঙ্গার উল্লেখ বিজেপির
    বর্তমান | ২৭ আগস্ট ২০২৬
  • নয়াদিল্লি: যন্তরমন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ রুখতে পেলেট গান চালিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। শুরু থেকেই এই অভিযোগে সরব বিরোধী শিবির। এবার সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে আলোচনার দাবি ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল স্বরাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে। বিজেপির সঙ্গে দফায় দফায় সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলের সাংসদরা। বিরোধীদের দাবি, পড়ুয়াদের উপর পুলিশের এই অত্যাচার দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলেছিল। তাই অবিলম্বে এই ইস্যুকে এজেন্ডার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পালটা ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী দাঙ্গা নিয়ে আলোচনার দাবি তোলে বিজেপি। দু’পক্ষের বচসা ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    ২০ জুলাই ‘ককরোচ’দের সংসদ চলো অভিযান প্রসঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রকের মতামত জানতেই আলোচনায় বসেছিল সব পক্ষ। বৈঠক চলাকালীন পেলেট গান ইস্যু নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন কংগ্রেস সাংসদ অজয় মাকেন। তিনি জানান, পেলেট গানের ব্যবহারে কয়েকজন পড়ুয়া আহত হয়েছে। তা সত্ত্বেও এবিষয়ে এফআইআর দায়ের করতে সময় নেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভে পুলিশি লাঠিচার্জের কথাও উল্লেখ করেন কংগ্রেস নেতা। ৫ আগস্ট এবিষয়ে আলোচনা চেয়ে কমিটির চেয়ারম্যান রাধামোহন দাস আগরওয়ালকে লিখিত প্রস্তাব দিয়েছিলেন মাকেন ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তাঁরা জানান, রাজধানীর এই ঘটনায় পড়ুয়াদের পাশাপাশি বহু নাবালক-নাবালিকা আহত হয়েছে। মিরাটে পড়ুয়াদের উপর লাঠিচার্জের কথাও উল্লেখ করেন আজাদ সমাজ পার্টির সাংসদ চন্দ্রশেখর আজাদ। যাবতীয় প্রস্তাব খারিজ করে দেন বিজেপি সাংসদ আগরওয়াল। সাফাই দিয়ে তিনি জানান, যন্তরমন্তরের ঘটনাটি বিচারাধীন রয়েছে। তাতে অবশ্য চিঁড়ে ভেজেনি। বারবার পেলেট গান ব্যবহার নিয়ে আলোচনার দাবি জানাতে থাকেন বিরোধী সাংসদরা। এরইমধ্যে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন বিজেপি সাংসদ তরুণ চুঘ। তিনি জানান, এজেন্ডার বাইরে আলোচনা চাইলে ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী দাঙ্গা নিয়েও কথা বলতে হবে। উত্তর দিতে দেরি করেননি কংগ্রেস সাংসদ জয়প্রকাশ। বিজেপি আমলে হরিয়ানায় অমানবিক অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন তিনি। পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নামেন কমিটির চেয়ারম্যান। তিনি জানান, বিক্ষোভকারীদের উপর বল প্রয়োগের এসওপি নিয়ে অন্য একদিন আলোচনা হবে। 
  • Link to this news (বর্তমান)