নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় জানিয়েছে, নেপালের সেনাবাহিনী এবং বেসরকারি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ১১৪ জনকে আকাশপথে নিরাপদ স্থানে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ জনকে তিমুরে থেকে ধুনচে, ১৩ জনকে তিমুরে থেকে ত্রিশূলী, পাঁচজনকে মাইলুং, চারজনকে বেত্রাবতী এবং তিনজনকে ত্রিশূলী থেকে কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মাঝ রাতে পর পর তিনবার প্রচন্ড আওয়াজ। কেঁপে ওঠে পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কমলপুর-সহ আশপাশের এলাকা। আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে বুঝতে পারেন স্থানীয় একটি ইস্পাত কারখানার ফার্নেসে বিস্ফোরণ ঘটেছে। সেই বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনে ঘটনাস্থলে আসে দুর্গাপুর থানার পুলিশ। কয়েকশো বাসিন্দা কারখানা চত্বরে ভিড় করেন। বিস্ফোরণের জেরে তিনজন কর্মী আহত হয়েছেন। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে আহতদের অবস্থা স্থিতিশীল। জখম মারাত্মক নয়।
হড়পা বানে তছনছ হয়ে গিয়েছে উত্তর নেপাল। বুধবার সকালে হড়পা বানের জলস্রোতে রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলায় একাংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। নেপাল পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিঁখোজ বহু মানুষ। সংখ্যাটা আনুমানিক ৫৯৮। তার মধ্যে অন্তত ১৩৩ জন ভারতীয় রয়েছেন বলে সরকারি সূত্রে খবর।
মুম্বইয়ের পারেল-চিঞ্চপোকলি এলাকায় দু’টি গোষ্ঠীর সংঘর্ষে বুধবার মধ্যরাতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এখনও এলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন প্রচুর পুলিশ।
অন্ধ্রপ্রদেশের একটি ট্রলারকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে দিঘা মোহনায় নিয়ে আসা হয়। ট্রলারটিতে ৮ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। দিঘা মোহনার অরবিন্দ বর্মনের ট্রলার সেটিকে টেনে নিয়ে আসে। মৎস্যজীবীরা সকলে সুস্থ রয়েছেন।