রাজস্থানে কোটায় থেকে NEET-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এক ছাত্রী। মধ্যপ্রদেশের ওই পড়ুয়া থাকতেন ভাড়ায় নেওয়া একটি ফ্ল্যাটে। সেখান থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারনা, আত্মহত্যা করেছেন খুশবু প্যাটেল (২০) নামে ওই তরুণী। তবে সেখান থেকে কোনও ‘সুইসাইড নোট’ পাওয়া যায়নি। কী কারণে ওই ছাত্রী এই চরম পদক্ষেপ করেছেন জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, রাজস্থানের কোটার কুনহাড়ি থানা (Kunhadi police station) এলাকার ল্যান্ডমার্ক সিটির একটি ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন খুশবু। সেখানে তাঁর সঙ্গে থাকতেন ছোট বোন খুশিও। দ্বিতীয় বারের মতো মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন খুশবু। আর খুশি জেইই (JEE)-র জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মঙ্গলবার রাতে ক্লাস থেকে ফিরে তিনি দিদিকে তাঁর ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। ক্লাস থেকে ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ থাকতে দেখেন খুশি। একাধিক বার ডাকার পরেও খুশবু কোনও সাড়া দেননি। তখন নিরাপত্তারক্ষী এবং অন্যদের সাহায্য নিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলতে দেখেন তাঁর দিদিকে। এর পরেই পুলিশ গিয়ে খুশবুর দেহ উদ্ধার করে।
বুধবার, ওই এলাকার সার্কেল ইন্সপেক্টর দেবেশ ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, গত বারেও NEET-এ বসেছিলেন খুশবু। তবে তাতে মাত্র ৪৫০ মতো নম্বর পেয়েছিলেন খুশবু। এই কারণে তিনি মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর পরে দ্বিতীয় বারের জন্য NEET-UG-তে বসার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন খুশবু। তবে তাঁর আত্মহত্যার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। ওই অ্যাপার্টমেন্ট থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। কী কারণে এই তরুণী এই পদক্ষেপ করেছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, নিট, জয়েন্ট, মেডিক্যাল, আইআইটিতে ভর্তি পরীক্ষায় বসার জন্য প্রস্তুতি নিতে অনেকেই কোটা ( Kota) এসে কোচিং নেন। এর আগেও সেখানে একাধিক পড়ুয়া আত্মঘাতী হয়েছেন। চলতি বছরে এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত ৮টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে সেখানে।