হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬০, নেপালে মৃত ১৫৭, চিনে ৩, নিখোঁজ ভারতীয়ের সংখ্যা কত বাড়ল
News18 বাংলা | ২৬ আগস্ট ২০২৬
নেপালের হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১৬০৷ নিখোঁজ এখনও শতাধিক৷ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে তিব্বত সীমান্তের একটি এলাকায় ধসের ঘটনায়। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সেখানে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৬৫ জন এখনও নিখোঁজ। অন্যদিকে, নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, ভয়াবহ বন্যার পর এখনও পর্যন্ত ১৫৭টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েকশো মানুষ। নিখোঁজ ভারতীয়ের সংখ্যা ছাড়াল প্রায় ১৩০৷
জরুরি বৈঠকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী
বন্যা পরিস্থিতি এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখতে জরুরি বৈঠকে বসেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন শাহ’ নামেও পরিচিত। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেপাল আর্মি, আর্মড পুলিশ ফোর্স এবং নেপাল পুলিশকে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট-এর খবর অনুযায়ী, দুর্গত এলাকায় দুটি সেনা হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে।
ভোতে কোশি এবং ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি দ্রুত নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যার জল ত্রিশূলী নদীর অববাহিকা ধরে নীচের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় নুওয়াকোট, ধাদিং, গোরখা এবং চিতওয়ান জেলাতেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
নেপালের বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যের মোট ৩৩ জন বাসিন্দা নিখোঁজ বলে খবর৷ এই ৩৩ জনের মধ্যে ৩১ জন পর্যটক এবং দু জন ওই ভ্রমণ সংস্থার ম্যানেজার৷
জানা গিয়েছে কলকাতার একটি ভ্রমণ সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ওই ৩১ জন পর্যটক কৈলাস মানস সরোবর যাত্রার জন্য গত ২১ অগাস্ট রওনা দেন৷ নেপালে পৌঁছে সেখানকার সংস্থা সম্রাট ট্রাভেলস-এর তত্ত্বাবধানে কৈলাস মানস সরোবরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এ রাজ্যের পর্যটকদের দলটি৷ গতকালই তাঁরা নেপালের রসুয়া জেলার রসুয়াগাধিতে পৌঁছেছিলেন বলে জানিয়েছেন ওই ভ্রমণ সংস্থার কর্ণধার দিব্যজ্যোতি বসু৷ ভয়াবহ হড়পা বানে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই রসুয়া জেলাই৷ বিপর্যয়ের পর থেকেই এই পর্যটকদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না৷