এই সময়: ৪১ বছর ধরে একা পরিষেবা দিয়ে চলেছে লেহ বিমানবন্দর। এ বার তার দোসর হতে চলেছে লাদাখ–ও। সেখানকার থোইস থেকে কমার্শিয়াল ফ্লাইট অপারেশন শুরু করতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। এর পরে কার্গিল থেকেও যাত্রিবিমান পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা করছে সরকার।
পর্যটনের নিরিখে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন লেহ ও লাদাখে আকাশপথে যাওয়ার বিকল্প নেই। উচ্চতার দিক থেকে লেহ ভারতের সর্বোচ্চ বিমানবন্দর। সেখানকার আবহাওয়া প্রায়শই ফ্লাইট মুভমেন্টের ক্ষেত্রে অনুকূল থাকে না। পাশাপাশি নুব্রা ভ্যালিতে থোইস বিমানবন্দর তৈরি হলে সুবিধে হবে পর্যটকদের। এতে স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশও গতি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রের আশা, ডিসেম্বরেই সেখান থেকে চালু হবে কমার্শিয়াল ফ্লাইট। সেখানে টার্মিনাল–সহ অন্য পরিকাঠামোর জন্য বায়ুসেনা ইতিমধ্যেই পাঁচ একর জমি দিয়েছে। নতুন করে রি–কার্পেটিং করা হচ্ছে রানওয়ে।
বিমান মন্ত্রক সূত্রের খবর, এই বিমানবন্দর থেকে সিয়াচেন খুব কাছে। দীর্ঘ সড়কপথে ক্লান্তি এড়িয়ে এখন ফ্লাইটে সহজেই পৌঁছনো যাবে ওই সব এলাকায়। কার্গিলে এখন একটি এয়ারস্ট্রিপ রয়েছে। সেটিকেও কমার্শিয়াল ফ্লাইটের জন্য উপযোগী করা হবে। লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় সাক্সেনার আশা, এই দু’টি বিমানবন্দর তৈরি হয়ে গেলে কার্গিল, গ্রাস, তুরতুক ও সিয়াচেন বেস ক্যাম্পের মতো জায়গায় পর্যটকদের যাতায়াত বাড়বে।