• লক্ষ্য পাহাড়ের উন্নয়ন, এবার কলকাতায় শমীকের সঙ্গে বৈঠকে গোর্খা নেতা গুরুং
    প্রতিদিন | ২৫ আগস্ট ২০২৬
  • পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানই উদ্দেশ্য। শনিবার শিলিগুড়ির সুকনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে ছিলেন বিমল গুরুং সহ পাহাড়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব। রাজ্যের তরফে বৈঠকে ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপর আজ, সোমবার কলকাতায় রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিমল গুরুং। জানা গিয়েছে, শমীকবাবুর বাড়িতে ওই বৈঠক হয়।

    শনিবার ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং রাজ্যের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় সাংবিধানিক পরিকাঠামোর মধ্যে সমস্যার সমাধান করা হবে। বৈঠকে পাহাড়ের সমস্যা সমাধানের জন্য একটি স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির শীর্ষে রয়েছেন প্রাক্তন আইএএস বিএসএফের প্রাক্তন ডিজি পঙ্কজকুমার সিং। ঠিক হয়েছে কমিটি পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্স ঘুরে রিপোর্ট জমা দেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিজেপি রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে গুরুং শনিবারের বৈঠকের নির্যাস তুলে ধরেন। পাশাপাশি জানান, পাহাড়ের সমস্যার সমাধান হবে ভারতের সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে। ওই সমাধানে গোর্খা জাতির আত্মসম্মান, রাজনৈতিক অধিকার ও দীর্ঘমেয়াদী আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান জানাতে হবে৷ পাশাপাশি সমাধানকে স্থায়ী ও কার্যকরী হতে হবে।

    অতীতের মতো অস্থায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা পাহাড়বাসী আর মেনে নেবে না বলেও জানান বিমল গুরুং। পাহাড়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার স্থানীয় জনগণের অনুভূতি এবং আঞ্চলিক নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত বলেও দাবি করেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি। ওই কারণে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে তিনি। সুকনার বৈঠকের পর পাহাড় সমস্যার সমাধানে বিজেপি রাজ্য সভাপতির সঙ্গে গুরুংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নতুন মাত্রা জুড়বে। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও এই বিষয়ে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের কোনও বক্তব্য মেলেনি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)