সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় একাধিক জঙ্গিঘাঁটি তৈরি হয়েছে। সেই ঘাঁটির সঙ্গে তৃণমূলের একাংশের যোগ রয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং। রবিবার জগদ্দলের একটি খুঁটিপুজোয় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর দাবি, “বাংলায় বহু সংখ্যক তৃণমূল নেতা, মেম্বার, ক্রিমিনালের জঙ্গি-যোগ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেফ প্যাসেজ বানিয়ে রেখে দিয়েছে। সেই কারণেই খারিজি মাদ্রাসা ও সীমান্তবর্তী এলাকায় জঙ্গিরা ঘাঁটি তৈরি করেছে। আস্তে আস্তে সেই ঘাঁটিগুলো ধরা পড়ছে।” এছাড়াও মন্ত্রীর অভিযোগ, দুর্গাপুজোর সময় অনেক বিজেপি নেতার উপর হামলার পরিকল্পনা চলছে।
পুজোর আগে সেই ঘাঁটিগুলিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কাও প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, সীমান্তের সাধারণ মানুষকে সামনে রেখে দুর্গাপুজোয় গোলমাল বাধানোর চেষ্টা চলছে। অর্জুনের কথায়, “খারিজি মাদ্রাসা ও আশপাশে তৃণমূলের মদতপুষ্ট জিহাদি সংগঠনের সঙ্গে যুক্তরা এই চেষ্টা করছে। আমরাও সজাগ আছি, স্বরাষ্ট্র দপ্তরও সজাগ।” এরপরেই বিজেপির একাধিক নেতার উপর হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার পরিকল্পনা হয়েছিল। পুজোয় বিজেপির বহু নেতার উপর হামলার পরিকল্পনাও চলছে। রাজ্যের বিরুদ্ধে বড়সড় ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমাদের কাছে যে ইনপুট আছে, তার ভিত্তিতেই আগে থেকে কাজ চলছে।” এই ‘ইনপুট’-এর প্রসঙ্গেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ও অমিত শাহের পরপর বাংলা সফরের কথা টানেন অর্জুন। বলেন, “দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত তিন মাসে তিনবার বাংলায় এসেছেন। নিশ্চয়ই কোনও ইনপুট আছে। আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সবটা বলতে পারব না। যতটুকু বলার, ততটুকুই বলছি।”
যাদবপুর কাণ্ড নিয়েও এদিন সরব হন অর্জুন। সেখানকার একাংশকে ‘দিমাগি নকশাল’ বলে কটাক্ষ করে তাঁর দাবি, “টেররিস্টদের চিহ্নিত করা যায়। কিন্তু এই দিমাগি নকশালরা দেশের ছেলেদের ব্রেনওয়াশ করে দেশের বিরুদ্ধে কাজে লাগায়। আমাদের ওয়ান পয়েন্ট অ্যাজেন্ডা, এই দিমাগি নকশালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”