মাইসুরুতে ঘুরতে যাওয়াই কাল! মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হরিণঘাটার গৃহবধূর, মা হারা ৩ বছরের শিশু
প্রতিদিন | ২৩ আগস্ট ২০২৬
ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ বদলে গেল বিষাদে! মাইসুরুতে ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হরিণঘাটার মহিলার। গুরুতর আহত তাঁর স্বামী ও সন্তান। শিশু সন্তানটি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। মর্মান্তিক ঘটনায় মাকে হারিয়েছে ৩ বছর সন্তান। আহত স্বামীও। সঙ্গে তাঁদেরই আত্মীয় দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম অরুন্ধতী নাগ ওরফে বৃষ্টি। বয়স ৩১। তিনি নদিয়ার হরিণঘাটার বাসিন্দা। তাঁর দিদি অনিতা এবং জামাইবাবুও দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। তাঁরা কর্মসূত্রে চেন্নাইয়ে থাকেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অরুন্ধতীর স্বামী শান্তনু নাগ ও তাঁদের সন্তান। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ আগস্ট হরিণঘাটা থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন অরুন্ধতী নাগ, তাঁর স্বামী শান্তনু নাগ। তাঁদের ৩ বছরের কন্যাসন্তান। সেখানে কর্মসূত্রে থাকেন তাঁর পিসতুতো দিদি অনিতা ও জামাইবাবু। ২০ আগস্ট চেন্নাই থেকে দিদি-জামাইবাবু, অরুন্ধতী, তাঁর স্বামী শান্তনু নাগ এবং তাঁদের ৩ বছরের শিশুকন্যা ঘুরতে বেরন। ৫ জন একটি চারচাকা গাড়িতে ছিলেন। বেঙ্গালুরু ও মাইসুরুতে ঘুরতে যান তাঁরা।
মাইসুরু থেকে ফেরার পথে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে নিচে নামার সময় দুপুর ৩টে ৩০ নাগাদ উলটো দিক থেকে আসা একটি চারচাকা গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ লাগে অরুন্ধতীদের গাড়ির। বিকেল ৪টে ৩০ নাগাদ হরিণঘাটায় দুর্ঘটনার খবর আসে। সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই অরুন্ধতী তাঁর দিদি ও জামাইবাবুর মৃত্যু হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অরুন্ধতীর স্বামী ও তাঁদের কন্যাসন্তান। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর বেঙ্গালুরু রওনা দিয়েছেন মৃতদের পরিবার। দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। তারপরই পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।