• নিয়ম না মেনেই স্কুল চত্বরে হানা! ‘ককরোচ’দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল রাজস্থানের গ্রামবাসীরা
    প্রতিদিন | ২১ আগস্ট ২০২৬
  • কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর দেশজুড়ে সরকারি স্কুলের হাল ফেরাতে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। নানা রাজ্যের সরকারি স্কুল পরিদর্শন করছেন ‘ককরোচ’ নেতারা। জয়পুরে এমনই এক পরিদর্শনের সময়ে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, স্কুল চত্বরে ‘ককরোচ’ নেতারা পৌঁছতেই রেগে যান স্থানীয়রা। সেখান থেকেই বচসা শুরু। গোটা ঘটনায় প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছে ওই এলাকায়।

    শুক্রবার জয়পুরের রামপুরা-কানওয়ার গ্রামে পৌঁছন ‘ককরোচ’ নেতারা। ককরোচ জনতা পার্টির কো কনভেনর আশুতোষ রাঙ্কারও যাওয়ার কথা ছিল ওই স্কুলে। কিন্তু সিজেপি কর্মীদের দেখেই রেগে ওঠেন স্থানীয়রা। এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন ‘ককরোচ’দের। কিন্তু সেই কথায় কান দেননি সিজেপি কর্মীরা। তাঁরা বলেন, গ্রামের সরকারি স্কুলের সমস্যা এবং সুযোগসুবিধা নিয়ে আলোচনা করতে চান। এই কথোপকথন থেকেই ক্রমে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত সিজেপি কর্মীদের ওই গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের গাড়ির কাঁচও ভাঙা হয়। 

    গোটা ঘটনায় এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিয়ে আশুতোষ বলেন, ‘ককরোচ’দের বাধা দেওয়ার জন্য বিজেপি গুণ্ডাদের ডেকে আনা হয়েছিল। স্থানীয়রা নন, সিজেপিকে বাধা দিয়েছে বিজেপির গুণ্ডারাই। আশুতোষের কথায়, গোয়ালঘরে বাচ্চাদের পড়ানো হচ্ছে। সেটা দেখতে যাওয়ার ‘অপরাধে’ই বিজেপি গুণ্ডারা হিংসা ছড়িয়েছেন, এমনটাই দাবি আশুতোষের। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের প্রশ্ন, রাজস্থান পুলিশ এই ‘হামলা’ নিয়ে চুপ কেন? রাজস্থানের বিরোধী দলনেতা তিকা রাম জুলিও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন।

    স্থানীয়দের মতে, তাঁরা ভেবেছিলেন ‘ককরোচ’রা স্কুল ভেঙে দিতে চাইছেন। ২০-২৫ জন পড়ুয়া রয়েছে ওই স্কুলে। সেই স্কুল ভেঙে দেওয়া হবে এমন আশঙ্কাতেই ‘ককরোচ’দের তাড়ানো হয়েছে বলে মত স্থানীয়দের। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই সিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, রাজস্থানের নানা স্কুল পরিদর্শন করবে তারা। স্থানীয়দের অনুরোধেই তা হবে। কিন্তু রাজস্থান সরকার নির্দেশিকা দিয়ে দেয়, স্কুল চত্বরে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া কেউই স্কুলে ঢুকতে পারবেন না। তারপরেও শুক্রবার স্কুল পরিদর্শনে গিয়েছিল সিজেপি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)