গত বুধবার রাতে জিবি মিটিংকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে ঐতিহ্যবাহী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। অভিযোগ, অরবিন্দ ভবনে বৈঠক চলাকালীন আচমকা ডানপন্থী ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-র জনা কয়েক সদস্য সেখানে ঢুকে হামলা চালায়। প্রশ্ন তোলা হয়, যেখানে ছাত্র সংগঠনই আর নেই, সেখানে কীসের জিবি বৈঠক? প্রশ্ন শুনে খেপে ওঠেন ফেটসুর সদস্যরা। পালটা অভিযোগ, তাঁরা এবিভিপি সদস্যদের মারধর করে। আক্রান্তরা ভর্তি হন পাশের হাসপাতালে। এই অশান্তি ঘিরে বৃহস্পতিবার সকালেই কর্মসূচির ডাক দেয় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। পালটা মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করে এবিভিপি। দুপুরে দু’পক্ষের জমায়েত ও মিছিল কেন্দ্র করেই উত্তাল হয়ে ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
শুক্রবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে এবিষয়েই মুখ খুললেন দাবাং দিলীপ। তিনি বলেন, “আমি ইন্দোরে গিয়েছিলাম। তাই কী হয়েছে ঠিক জানি না। তবে দেশবিরোধী কাজ চলতে দেওয়া যাবে না। টিএমসি আসলে এই দেশবিরোধীদের পুষে রেখেছিল। আগেও এবিভিপি সার্জিকাল স্ট্রাইক করেছে। দেশবিরোধী স্লোগান উঠলে আবার যাদবপুরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে।” দিলীপ বললেন, “৬ মাস অপেক্ষা করুন, অনেক কিছু হবে।” বৃহস্পতিবার কার্যত একই কথা শোনা গিয়েছিল শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের গলায়। তিনি বলেছিলেন, “যাদবপুর রাষ্ট্রবিরোধী মেশিনারি তৈরির…। বারবার দেশবিরোধী স্লোগান, দেশবিরোধী আন্দোলন আমরা করতে দেব না। রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলা যাবে না। আমরা প্রথমে দেশের নাগরিক, তাই দেশের হয়ে কথা বলতে হবে। ইনশাআল্লা, আজাদি বলা যাবে না।”