সরকারি কাজে গতি আনতে ও কার্যকারিতা বাড়াতে বৃহস্পতিবার সচিবদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী দিনের ভারতের ভবিষ্যৎ নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করার জন্য এ দিনের বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়। কোভিড-১৯ এবং পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কট চলাকালীন যে ভাবে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা অত্যন্ত কার্যকর ভাবে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন, সেই কর্মসংস্কৃতি বজায় রাখার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সরকারি দপ্তরের যোগাযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক। দেশের পরিকাঠামো, জাতীয় নিরাপত্তা, পররাষ্ট্র নীতি এবং প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এ দিনের বৈঠকে।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধিদের সোশ্যাল মিডিয়ায় জনসংযোগ বাড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিনের সেক্রেটারিয়েট মিটিংয়ে নীতি নির্ধারণে নতুন ও নতুন আইডিয়া আনতে বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সরকারি দপ্তরের যোগাযোগ বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলে সূত্রের খবর।
এ দিনের মিটিংয়ে উঠে আসে বিভাগীয় বিভাজন বা ‘Silos’-এর কথাও। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়ের অভাব দূর করার উপরে জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কেবল সংস্থাগত কোনও সমস্যা নয়, দৃষ্টিভঙ্গি বা মানসিকতারও বিষয়। আধিকারিকদের নিজ কাজের দায়িত্ব এবং গুরুত্ব সহকারে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। ‘টিম স্পিরিট’ বজায় রাখতে প্রবীণ আধিকারিকদের তাঁদের জুনিয়র সহকর্মীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত ও নিয়মমাফিক যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্পূর্ণ সরকারের সম্মিলিত-এর মাধ্যমেই দেশের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।