• তৃণমূল আমলে ঘরছাড়া! গলসির বিজেপি কর্মীর সঙ্গে দেখা করে বিধায়কের দাবি, ভয় আউট, ভরসা ইন
    প্রতিদিন | ২০ আগস্ট ২০২৬
  • ভরা তৃণমূল জমানা। বিজেপি করার অপরাধে যুবককে মারধর করে এলাকা ছাড়া করেছিল তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান। ভাঙচুর করা হয় দোকান। বাড়িতে থাকতে পারছিল না পরিবারও। বিজেপির পতাকা ধরতে পারেননি কাঁকসার বিশ্বনাথ মণ্ডল। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি বদলেছে। স্থানীয় নেতৃত্বের হাত ধরে অবশেষে বাড়ি ফিরে বিজেপির পতাকা ধরলেন যুবক। তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন বিধায়ক রাজু পাত্র। তাঁর দাবি, বিজেপির আমলে ভয় থাকবে না। তিনি বলেন, “অতীতে যারা এই ধরনের কাজ করেছে, তাদের শাস্তি হবেই। বিজেপিকর্মী ফিরছেন।”

    জঙ্গলমহলের বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের গৌরাঙ্গপুরের বাসিন্দা বিশ্বনাথ। অভিযোগ, বিজেপি করার কারণে মারধর করে এলাকা ছাড়া করা হয়েছিল তাঁকে। দোকানে ভাঙচুর থেকে লুট করা হয় টাকা ও দোকানের সামগ্রী। ঘরছাড়া হয় গোটা পরিবার। গোটা কাণ্ডটাই হয়েছিল তৃণমূল নেতা তথা তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান পিন্টু বাগদির নেতৃত্বে। অভিযোগ এমনটাই। পরে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে নিজের বাড়িতে ফিরতে পারলেও, বিজেপির পতাকা ধরলেই মারধর ও এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতির বদল হয়েছে। ঘরছাড়া বিজেপিকর্মীরা বাড়ি ফিরছেন। এ দিন তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান গলসির বিজেপি বিধায়ক রাজু পাত্র। বিধায়ককে কাছে পেয়ে দুব্বো ঘাস ও ধান দিয়ে বিধায়ককে বরণ করে নেওয়া হয়। বিশ্বনাথ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখে প্রথম থেকেই বিজেপি করি। সেই কারণেই পাঁচ বছর বিজেপির পতাকা ধরতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বিজেপি ক্ষমতায় আসায় স্বাধীনভাবে দোকান খুলে সংসার চালাতে পারছি।” বিধায়ক রাজু পাত্র বলেন, “অতীতে যারা এই ধরনের কাজ করেছে, তাদের শাস্তি হবেই। বিজেপির কর্মীরা সকলেই বাড়ি ফিরেছেন।” প্রাক্তন প্রধান-সহ প্রায় ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)