এই সময়, বর্ধমান: এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে সার্ভিস কোটায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট (পিজি) করছিলেন বর্ধমানের বাসিন্দা অভীক দে। পিজি করার সময়ে কী সুবিধা নিয়েছেন? যে কোটায় তিনি পিজি করছিলেন, সেখানেই তিনি থাকতেন না অন্য আরও কোথাও যুক্ত ছিলেন? বিষয়গুলি নিয়ে তদন্তের জন্য মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি দল অভীককে নিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসে।
এই কমিটিতে আছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোমনাথ দাস, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের অধ্যক্ষ কৌশিক মিত্র।
স্নাতকোত্তরে ভর্তির সময়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে অভীকের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে কারও কাছে কোনও তথ্য অথবা অভিযোগ থাকলে তা সরাসরি তদন্ত কমিটিকে জানাতে সোমবার পাবলিক নোটিস জারি করেন তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধান। তার আগে স্বাস্থ্য দপ্তরের তদন্তকারী দল সার্কিট হাউসে যায়। সেখান থেকে অনাময় হাসপাতাল হয়ে মেডিক্যাল কলেজে আসে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘিরে রাখে কলেজ চত্বর। অভীককে জেরা করা হয় কলেজের প্রশাসনিক ভবনে। সন্ধে ৬.৩০ নাগাদ তাঁকে নিয়ে বেরিয়ে যায় তদন্তকারী দল।
এ দিন তিন সদস্যের দল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, এই হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি উইং অনাময় হাসপাতালে দফায় দফায় অনুসন্ধান চালায়। বিকেলে ফের মেডিক্যাল কলেজে অভীককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। নথিপত্র যাচাই করা হয় বলে খবর।
এ দিন তিন সদস্যের দল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, এই হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি উইং অনাময় হাসপাতালে দফায় দফায় অনুসন্ধান চালায়। বিকেলে ফের মেডিক্যাল কলেজে অভীককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। নথিপত্র যাচাই করা হয় বলে খবর। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সব্যসাচী দাস বলেন, 'স্বাস্থ্য ভবন থেকে তিন জনের তদন্তকারী দল কলেজে এসেছিলেন। অভীকও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে সদস্যরা অভীকের সঙ্গে কথা বলেছেন। এখানে আসার আগে সার্কিট হাউস ও পরে অনাময় হাসপাতালেও গিয়েছিলেন টিমের সদস্যরা। কী কথা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানি না।'