• ১৫ বছর ধরে স্বাধীনতা দিবসে ঠাসা কর্মসূচি! আজকের দিনে কী করছেন গদিহারা মমতা?
    প্রতিদিন | ১৫ আগস্ট ২০২৬
  • রাজ্যে ক্ষমতায় থাকাকালীন ১৫ আগস্ট ঠাসা কর্মসূচি থাকত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মধ্যরাত থেকে শুরু হত কর্মসূচি। কিন্তু বদলের বাংলায় স্বাধীনতা দিবসে কোনও ঘোষিত কর্মসূচি নেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন কোনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতেও দেখা যায়নি তাঁকে। সূত্রের খবর, শনিবার মমতা নিজের কালীঘাটের বাড়িতেই রয়েছেন। যদিও কালীঘাটের তৃণমূল কার্যালয়ের সব কর্মীদেরই এদিন ‘ছুটি’ দিয়েছেন তিনি। শুধু শনিবার নয়, রবিবারও ‘ছুটি’ তাঁদের।

    রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে ও পরে মধ্যরাতে প্রাক-স্বাধীনতা উৎসব উদযাপন করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকবছর ধরে হাজরা মোড়ে ‘ফ্রিডম অ্যাট মিডনাইট’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত। সেখানে উপস্থিত থাকতেন মমতা। কিন্তু এবার আর সেখানে তৃণমূলের ব্যানারে কোনও কর্মসূচি হয়নি। তবে শুক্রবার মধ্যরাতে হাজরা মোড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স। এই অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরাও উপস্থিত ছিলেন। মনে করা হচ্ছে, পুলিশের অনুমতি নিয়ে সমস্যা হওয়ায় সামাজিক সংগঠনের ‘আড়ালে’ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান শামিল হন ‘কালীঘাট’ তৃণমূলের কর্মীরা। এই কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোনও পরিচিত মুখকে দেখা যায়নি। ছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে তিনি মধ্যরাতের এই কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    জানা গিয়েছে, বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স নামের এই সংগঠনের সভাপতি চন্দন দে। সংগঠনের চেয়ারম্যান বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাই বলা বাহুল্য, কালীঘাট তৃণমূল ‘ঘেঁষা’ এই সামাজিক সংগঠনকে কাজে লাগিয়ে এরকম আরও কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে মমতার। শুক্রবার মধ্যরাতে বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্সের কর্মসূচিতে ওঠে ‘তৃণমূল জিন্দাবাদ’ স্লোগান।

    শনিবার কোনও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করলেও সোশাল মিডিয়ায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান মমতা। মধ্যরাতে একটি পোস্ট করে তিনি লেখেন, “ভারতের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশমাতৃকাকে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছ। জয় হিন্দ। বন্দে মাতরম।” এরপর শনিবার সকালেও স্বাধীন দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান মমতা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)