স্বদেশি আন্দোলনের সাক্ষ্য, গান্ধীঘাটে চরকা কেটে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ‘বার্তা’ রাজ্যপালের
প্রতিদিন | ১৫ আগস্ট ২০২৬
বারাকপুরের গান্ধী ঘাটে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এসে চরকা কাটলেন রাজ্যপাল আর এন রবি। প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গান্ধীঘাটে চরকা কাটার কর্মসূচি পালিত হয়। শনিবার ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও এর অন্যথা হয়নি। তবে এবার চরকা কাটেন স্বয়ং রাজ্যপাল। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে চরকা কেটে কার্যত আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ‘বার্তা’ দেন আর এন রবি।
ব্যারাকপুরের ঐতিহাসিক গান্ধীঘাটে আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রার্থনা সভা। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধ ও সম্প্রীতির বার্তা উঠে আসে। এদিন গান্ধীঘাটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল ছাড়াও আর এন রবি, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, মন্ত্রী অর্জুন সিং ও কল্যাণ চক্রবর্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী, পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ এবং ব্যারাকপুরের নগরপাল অমিত কুমার সিং-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। গান্ধীঘাটে আয়োজিত এই বিশেষ প্রার্থনা সভায় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করা হয় এবং দেশের শান্তি, ঐক্য ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। স্বাধীনতা দিবসের সকালে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে গান্ধীঘাটে তৈরি হয় বিশেষ আবহ।
উল্লেখ্য, স্বদেশি আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য বহন করছে এই চরকা। বিদেশি বস্ত্র বর্জন করে দেশিয় খাদি ব্যবহারের ডাক দিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। সেই আন্দোলনে চরকার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। চরকার মাধ্যমে তিনি গ্রামের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে চেয়েছিলেন। পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করতে চেয়েছিলেন দেশের মানুষকে। এই স্বদেশি আন্দোলন ছিল ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে একটি অহিংস আন্দোলন। স্বদেশি আন্দোলনের সেই সাক্ষ্য আজও বহন করে চলেছে বারাকপুরের গান্ধীঘাট। প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সেখানে চরকা কাটা হয়।