যেন পুরো গ্যাস চেম্বার। বিমানে উঠে গরমে হাঁসফাঁস করার মতো অবস্থা যাত্রীদের। কিন্তু উড়ান টেকঅফের আগেই অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে দমবন্ধ করা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় কেবিনে। অভিযোগ, কেবিনের এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ না করায় ব্যাপক অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়েন যাত্রীরা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে ১০০-রও বেশি যাত্রী ওই বিমানে যেতে অস্বীকার করেন। যাত্রী ক্ষোভের জেরে শেষ পর্যন্ত বিমানটিকে বে-তে ফিরিয়ে আনতে হয়। বাতিল হয়ে যায় দিল্লি-পুনে SpiceJet-এর SG-105 ফ্লাইট।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার, ১১ অগস্ট রাতে। দিল্লি থেকে পুনের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল স্পাইস জেট-এর বিমানটির। যাত্রীদের অভিযোগ, বিমানের ভিতরে এতটাই গরম ও দমবন্ধ করা অবস্থা ছিল যে সেখানে বসে থাকা কার্যত অসহনীয় হয়ে উঠেছিল।
রিপোর্ট অনুযায়ী, বিমানে ওঠার পর থেকেই কেবিনের তাপমাত্রা নিয়ে অভিযোগ করতে শুরু করেন যাত্রীরা। এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ না করায় কেবিনের ভিতরের পরিবেশ সাংঘাতিক গরম হয়ে ওঠে। অনেক যাত্রী জানান, প্রচণ্ড গরমের পাশাপাশি নিঃশ্বাস নিতেও সমস্যা হচ্ছিল। ফলে দীর্ঘক্ষণ বিমানের ভিতরে বসে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করা হলেও যাত্রীদের একাংশ তাতে সন্তুষ্ট হননি।
বিমান সংস্থা: SpiceJet
ফ্লাইট: SG-105
রুট: দিল্লি → পুনে
ঘটনা: বিমানের কেবিনে AC ঠিকমতো কাজ না করার অভিযোগ
সময়: ১১ অগস্ট, মঙ্গলবার রাত
সমস্যা: প্রচণ্ড গরম ও দমবন্ধ পরিস্থিতি
যাত্রীদের অভিযোগ: কেবিনে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করছিল না
প্রতিবাদ: ১০০-রও বেশি যাত্রী বিমানে যেতে অস্বীকার করেন
পরিণতি: বিমানটি বে-তে ফিরিয়ে আনা হয়
শেষ সিদ্ধান্ত: SG-105 ফ্লাইট বাতিল
অপেক্ষা: যাত্রীরা ৬ ঘণ্টারও বেশি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন
বিকল্প ব্যবস্থা: বুধবার ভোরে বিকল্প উড়ানের ব্যবস্থা করা হয়
যাত্রীদের বক্তব্য ছিল, বিমানের কেবিনের পরিবেশ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা যাত্রা করবেন না। বিমানটির ভিতরের পরিস্থিতি নিয়ে যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ ছিল, শুধু গরম নয়, কেবিনে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলও হচ্ছিল না। ফলে অনেকেই অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করেন। এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা ঠিক না করে বিমান ওড়ানো হলে তাঁরা শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন বলেও অভিযোগ করেন যাত্রীদের একাংশ। বিমানের ভিতরের দুঃসহ পরিস্থিতির একাধিক ভিডিয়োও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে যাত্রীদের অস্বস্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ ছবি সামনে এসেছে।
যাত্রীদের সম্মিলিত আপত্তির পর শেষ পর্যন্ত বিমানটি বে-তে ফিরিয়ে আনা হয়। বিমানটি বে-তে ফিরে আসার পর সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত যাত্রা বাতিল করা হয়। ফলে দিল্লি বিমানবন্দরে যাত্রীরা দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকেন।সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, যাত্রীরা ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। পরে বুধবার ভোরে তাঁদের জন্য একটি বিকল্প উড়ানের ব্যবস্থা করা হয়।
১. কেন দিল্লি-পুনে SpiceJet-এর ফ্লাইট বাতিল করা হয়?
বিমানের কেবিনের AC ঠিকমতো কাজ না করায় প্রচণ্ড গরম ও দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। ১০০-রও বেশি যাত্রী এই অবস্থায় বিমানে যেতে অস্বীকার করেন। শেষ পর্যন্ত ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়।
২. কোন SpiceJet ফ্লাইটটি বাতিল হয়েছে?
দিল্লি থেকে পুনেগামী SpiceJet-এর SG-105 ফ্লাইটটি বাতিল হয়েছে।
৩. বিমানের ভিতরে কী সমস্যা হয়েছিল?
যাত্রীদের অভিযোগ, কেবিনের এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছিল না। ফলে বিমানের ভিতরে অত্যন্ত গরম ও অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়।
৪. কত জন যাত্রী বিমানে যেতে অস্বীকার করেন?
১০০-রও বেশি যাত্রী বিমানের এই পরিস্থিতিতে যাত্রা করতে অস্বীকার করেন বলে জানা গিয়েছে।
৫. যাত্রীদের আপত্তির পরে কী হয়?
যাত্রীদের সম্মিলিত আপত্তির পর বিমানটিকে বে-তে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়।
৬. যাত্রীরা কতক্ষণ বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন?
রিপোর্ট অনুযায়ী, যাত্রীরা ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় দিল্লি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে বাধ্য হন।
৭. যাত্রীদের জন্য কি বিকল্প বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল?
হ্যাঁ। বুধবার ভোরে যাত্রীদের জন্য একটি বিকল্প উড়ানের ব্যবস্থা করা হয় বলে জানা গিয়েছে।
৮. বিমানের AC খারাপ থাকার কারণে যাত্রীদের কী অভিযোগ ছিল?
যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, শুধু প্রচণ্ড গরমই নয়, কেবিনে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলও করছিল না। ফলে শ্বাস নিতে সমস্যা এবং শারীরিক অস্বস্তি হচ্ছিল বলে তাঁরা দাবি করেন।