• ফুকেট-দিল্লি প্লেনে কি হাইড্রলিক ফেলিওর! কারণ নিয়ে বাড়ছে জল্পনা
    এই সময় | ১১ আগস্ট ২০২৬
  • এই সময়: ফুকেট–দিল্লি ফ্লাইট নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। এ বার উঠে এসেছে বিমানের হাইড্রোলিক ফেলিওর–এর তত্ত্ব। বলা হচ্ছে, সেই কারণেই মাঝ আকাশে বিমানটি আচমকা ৩০০ ফুট নীচে নেমে আসে। ভারতের তদন্তে যোগ দিয়েছে ফ্রান্সের এয়ারবাস সংস্থাও। তদন্তের কাজে এয়ারবাসের একটি দল ভারতেও এসেছে।

    ইতিমধ্যেই মুখ্য পাইলট প্রাথমিক ডোপ টেস্টে পজ়িটিভ এসেছেন। বিস্তারিত পরীক্ষার জন্য তাঁর নমুনা পাঠানো হয়েছে ল্যাবরেটরিতে। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটার সময়ে এক পাইলট ছিলেন বিমানের পিছনের দিকে! তিনি কি মুখ্য পাইলট? তা পরিষ্কার নয়। সে ক্ষেত্রে তিনি মাদকাসক্ত থাকলেও তার প্রভাব ককপিটে পড়েনি। প্রশ্ন উঠেছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যদি বিমানটি নেমে এসেছিল, তা হলে পাইলট নিকটবর্তী কোনও বিমানবন্দরে কেন নামলেন না? প্রশ্ন উঠেছে, কোনও নিময়িত ওষুধের কারণে কি পাইলটের ইউরিন টেস্ট প্রাথমিক ভাবে পজ়িটিভ এসেছে?

    এয়ার ইন্ডিয়ার এই ফ্লাইটটি থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লি আসার পথে গত ৪ অগস্ট ওডিশার আকাশে আচমকাই হুশ করে ৩০০ ফুট নীচে নেমে আসে। সেই ঘটনার আকস্মিকতায় এবং ওই পড়ে যাওয়ার সময়ে বিমান বেশ কয়েক বার ডিগবাজি খাওয়ায় ক্রু ও যাত্রী মিলিয়ে ১৭ জন আহত হয়েছিলেন। অভিজ্ঞ পাইলটদের একাংশের দাবি, অনেক সময়ে আকাশে এক হাজার উপর দিয়ে তুলনায় বড় কোনও বিমান গেলে হাওয়ার ঢেউ তৈরি হয়। তার প্রভাবে ছোট বিমান (এ ক্ষেত্রে এয়ারবাস ৩২০) ও ভাবে ওলটপালট খেয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীচে নেমে আসতে পারে।

    এই ঘটনার পিছনে প্রাথমিক ভাবে খারাপ আবহাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যদিও সরকারি নথির কোথাও ‘টার্বুল্যান্স’ শব্দটি নেই।

  • Link to this news (এই সময়)