কলকাতার নামী স্কুলে ২৪ জন ছাত্রী হঠাত্ একসঙ্গে কেন অসুস্থ? এখন কী অবস্থা? বিস্তারিত
আজ তক | ১১ আগস্ট ২০২৬
একই স্কুলের ২৪ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে ভর্তি হল আরজি কর হাসপাতালে। তারা প্রত্যেকেই কলকাতার একটি নামী স্কুলের পড়ুয়া। জ্বর এবং পেটে ব্যথা নিয়েই তাদের সোমবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর এই খবর সামনে আসার পর রাতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি সেখানে উপস্থিত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে বেরিয়ে আসেন বলেই জানা গিয়েছে।
হঠাৎ কেন অসুস্থ হয়ে পড়ল পড়ুয়ারা?
স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, পড়ুয়াদের শরীর থেকে সংগৃহীত নমুনা এখন টেস্টের জন্য গিয়েছে। সেটা আসতে কিছুটা সময় লাগবে। তাই সমস্যা কী থেকে হয়েছে, সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
যদিও হাসপাতালের চিকিৎসকদের অনুমান, খাবার বা জল থেকে কোনওরকম বিষক্রিয়া হতে পারে। তার জন্যই ২৪ পড়ুয়া একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
কী কী সমস্যা ছিল তাদের?
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে পেটে ব্যথা ও বমি শুরু হয়। তারপর আসে জ্বর। এরপরই ছাত্রীদের ভর্তি করা হয় আরজি কর হাসপাতালে। সেখানে দ্রুত গতিতে শুরু হয় চিকিৎসা। ডাক্তাররা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই নিয়েছেন। তারপর সেখানে উপস্থিত হন মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতির পর্যালোচনা করেন।
এখন কেমন আছে পড়ুয়ারা?
স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, এখন মোটামুটি ভালই আছে পড়ুয়ারা। তাদের সমস্যা কমেছে। পেট ব্যথা এবং বমি বমি ভাব থেকে ধীরে ধীরে মিলছে মুক্তি। তবে কী থেকে এই সমস্যা হয়েছে, সেটা অবশ্য এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
কী বলছেন অভিভাবকেরা?
এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছেন এক পড়ুয়ার অভিভাবক। তিনি জানিয়েছেন, সুস্থই ছিল মেয়ে। হঠাৎই ফোন করে জানান হয়, মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।
নজর রাখছে স্বাস্থ্যভবন
একই স্কুলের ২৪ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে ভর্তি আরজি কর হাসপাতালে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে রাতেই সেখানে পৌঁছে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত। তিনি চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেন। পড়ুয়াদের বাবা-মাকে আশ্বস্ত করেন।
এই পরিস্থিতিতে অ্যালার্ট মোডে রয়েছে স্বাস্থ্যভবন। তারা পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখছেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
ওদিকে আজ স্বাস্থ্য দফতরের কয়েক জন আধিকারিক ওই স্কুলে যেতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা স্কুলের পানীয় জলের স্যাম্পেল নেবেন। পাশাপাশি যাচাই করবেন খাবারের মান।