কোচবিহার: দুর্গাপুজোর আগে সাজবে শহর, একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে গেলেন স্পিকার
বর্তমান | ০৮ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: পুজোর আগেই সেজে উঠবে রাজার শহর। কোচবিহারকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী হয়েছেন বিধায়ক। আইআইটি খড়্গপুরকে দিয়ে তৈরি করা হবে শহরের পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থার নকশা। সাজিয়ে তোলা হবে দিঘি, মোড়ে মোড়ে বসবে ট্রাফিক কিয়ক্স, স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা।
বিধানসভার অধিবেশন শেষে চারদিনের জন্য নিজের শহরে ফিরেছেন স্পিকার তথা কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্র বসু। এসেই তিনি শহরের একের পর এক দিঘি সাফাইয়ের কাজে হাত লাগান। এরই মধ্যে ৪ আগস্ট রাতভর বৃষ্টির পর গোটা কোচবিহার শহর কার্যত চলে যায় জলের তলায়। যা দেখে রীতিমতো উষ্মা প্রকাশ করেন।
সফরের শেষদিন, শুক্রবার জেলা প্রশাসনিক কার্যালয়ে একটি রিভিউ মিটিং করে রথীন্দ্রবাবু কোচবিহার শহরের হারিয়ে যাওয়া কৌলিন্য ফেরাতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করার কথা জানান। বলেন, দুর্গা পুজোর আগে সমস্ত রাস্তাঘাট সংস্কার করা হবে। শহরের ১৫টি দিঘি চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই দিঘিগুলি পরিষ্কার করে সৌন্দর্যায়নের কাজ হবে। এই কাজও পুজোর আগে শেষ করব।
চলতি সপ্তাহে বৃষ্টির জেরে শহরের কিছু রাজপথ ডুবে গিয়েছিল। নালার জল রাস্তায় চলে এসেছিল। যারজন্য পুরবাসীকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছিল। পথে নেমে মানুষের দুর্ভোগ বুঝতে পেরেছেন স্পিকার। তাই এদিন বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আইআইটি খড়্গপুর অথবা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক্সপার্টদের এনে তাঁদের দেখাব কেন শহরে জল জমছে। তাঁদের দেওয়া প্রস্তাবকে বাস্তবায়িত করব। এই কাজের জন্য আপাতত ৩০ কোটি টাকা ধরে এগচ্ছি আমরা।
কোচবিহার শহরের সুপরিকল্পিত রাস্তাঘাট রাজ আমলেই তৈরি। চওড়া এবং চৌরাস্তা বিশিষ্ট শহরের পথঘাট। কিন্তু ট্রাফিকের একটা বড় সমস্যা এখানে। এদিন বৈঠক শেষে রথীন্দ্র বসু বলেন, এই শহরে সুন্দর রাস্তাঘাট আছে। যা একটি ইতিবাচক দিক। তাই মোড়ে মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিচ্ছি। পুজোর আগেই সেপ্টেম্বর মাসে এই কাজ শেষ করব।