• নারকেলডাঙায় বিজেপি কর্মী খুনে সাড়ে ৫ বছর পর অসম থেকে পাকড়াও আরও এক
    বর্তমান | ০৭ আগস্ট ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২১ সালে নারকেলডাঙায় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার হত্যা মামলায় পলাতক এক অভিযুক্তকে অবশেষে পাকড়াও করল সিবিআই। নারকেলডাঙা থানার শীতলাতলা লেনের বাসিন্দা ওই অভিযুক্তের নাম অরূপ দাস ওরফে বাপি। বৃহস্পতিবার সিবিআই অসম থেকে দিল্লিগামী একটি ট্রেনে তাকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর সে এলাকা থেকে চম্পট দিয়েছিল। তার বিরুদ্ধে প্রথমে আদালত জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে ‘হুলিয়া’ জারি হয়। 

    এই হত্যা মামলায় যে কজন অভিযুক্ত পলাতক ছিল, সিবিআই তাঁদের ধরতে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর পর পলাতক অভিযুক্তকে ধরতে সমর্থ হল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ঘটনার পর নিজের নাম ও পরিচয় গোপন করে অভিযুক্ত ট্রেনে কোচ অ্যা঩টেন্ড্যান্টের কাজ করছিল। এ ক্ষেত্রে সে ভুয়ো নথি দিয়ে পরিচয়পত্র তৈরি করেছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। আজ, শুক্রবার ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে বিচারভবনে হাজির করার কথা।        ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় মারা গিয়ে ছিলেন নারকেলডাঙার বাসিন্দা বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। সেই খুনের মামলায় তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক পরেশ পাল সহ একাধিক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়। তালিকায় ছিল অরূপের নামও। প্রথমে মামলার তদন্ত কলকাতা পুলিশ করলেও পরবর্তী সময় হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার নেয় সিবিআই। উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলা শিয়ালদহ থেকে স্থানান্তরিত হয়ে আসে বিচারভবনে। ইতিমধ্যে মৃত বিজেপি কর্মীর মা মাধবী সরকার সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁর সাক্ষ্য অসমাপ্ত আছে। এই খুনের মামলায় মোট অভিযুক্তের সংখ্যা ৩৮ জন। প্রথম দফায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়। পরে দু’দফায় বাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেওয়া হয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট। বর্তমানে ১২ জন জেল হেপাজতে আছে। বাকি অভিযুক্তরা জামিনে আছেন। মৃত যুবকের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত এই অভিযুক্ত ধরা পড়ল, এটাই স্বস্তির। বাকিরা ধরা পড়লে খুশি হব।’                                                                                                                                            
  • Link to this news (বর্তমান)