• শিশুকন্যার রহস্যমৃত্যু, খুনের অভিযোগে কাঠগড়ায় খোদ বাবা
    এই সময় | ০৭ আগস্ট ২০২৬
  • হাওড়ার ডোমজুড়ে সাত বছরের এক শিশুকন্যার রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশুটিকে। পরিবারের অভিযোগ, মশারির দড়ি দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে শিশুটির বাবার বিরুদ্ধে। যদিও ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    ডোমজুড়ে কী ঘটেছে?

    হাওড়ার ডোমজুড়ের সলপ তেঁতুলতলায় সাত বছরের এক শিশুকন্যার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, এটি আত্মহত্যা নয়, খুন। শিশুটির বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    শিশুটির পরিচয় কী?

    মৃত শিশুর নাম একতা মণ্ডল। বয়স সাত বছর

    পরিবারের অভিযোগ কী?

    মৃতার মামার দাবি, শিশুটির বাবা মেয়েকে পছন্দ করতেন না এবং স্ত্রীকে সন্দেহ করতেন। সেই আক্রোশ থেকেই খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও যাচাই হয়নি।

    পুলিশ কী পদক্ষেপ করেছে?

    পুলিশ অভিযুক্ত বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

    এক নজরে

    শিশুকন্যাকে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ডোমজুড়ের সলপ তেঁতুলতলার ঘটনা। নিহত শিশুর নাম একতা মণ্ডল, বয়স সাত বছর। মশারির দড়িতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ওই শিশুকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে খোদ তার বাবার বিরুদ্ধে। মৃত শিশুর মামার অভিযোগ, মেয়েকে পছন্দ করত না বাবা।

    এ দিন তেঁতুলকুলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে ছুটির পরে তার মা নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিল। শিশুর মামাবাড়ির তরফে দাবি, এর পরে বাবা অরূপ মণ্ডল ভয় দেখিয়ে এবং আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে স্ত্রী এবং শিশুকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখান থেকেই এ দিন শিশুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে।

    শিশুর মামার অভিযোগ, মেয়েকে নিয়ে স্ত্রীকে অর্থাৎ তাঁর বোনকে সন্দেহ করত অরূপ। সেই আক্রোশ থেকেই এই খুন বলে তাঁর দাবি। মৃতার এক আত্মীয় অভিযোগ করেছেন, ওই শিশু তার বাবাকে ভয় পেত।

    মৃতার মা বলেন, ‘আমি পাশের ঘরে শাশুড়ির কাছে ছিলাম। ছেলেকে ঘুম পাড়াতে গিয়েছিলাম। তারপরেই জানতে পারি এই ঘটনা। ওরা দাবি করছে মশারির দড়ির ফাঁসে আটকে মেয়ে মারা গিয়েছে। এতটুকু বাচ্চার পক্ষে এ ভাবে মরা সম্ভব নয়।’ শিশুমৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে আসে ডোমজুড় থানার পুলিশ। ওই শিশুকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তারপরেই হাসপাতালে ওই শিশুর বাবার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে উত্তেজিত জনতা। হাসপাতালের মধ্যে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। পরে হাওড়া থানার পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। আপাতত পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ডোমজুড় থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    FAQ

    কোথায় এই ঘটনা ঘটেছে?

    হাওড়ার ডোমজুড়ের সলপ তেঁতুলতলা এলাকায়।

    মৃত শিশুর বয়স কত?

    সাত বছর।

    পরিবারের অভিযোগ কী?

    পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে তার বাবা খুন করেছেন। তবে অভিযোগের তদন্ত চলছে।

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

    পুলিশ তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

  • Link to this news (এই সময়)