• বিবাহ বিচ্ছেদ মামলার জের, শাশুড়িকে এলোপাথাড়ি কোপ জামাইয়ের! গোটা এলাকায় আতঙ্ক
    News18 বাংলা | ০৬ আগস্ট ২০২৬
  • জামাইয়ের হাতে এলোপাথাড়ি হাঁসুয়ার কোপে শাশুড়ির আশঙ্কাজনক অবস্থা। নদিয়ার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের কৃষ্ণগঞ্জের ভাজনঘাট বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি ব্রিজের কাছে বুধবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, একই থানা এলাকার চন্দননগরের বাসিন্দা মৌমিতা ঘোষ বিগত ৭ বছর আগে ওই থানা এলাকার গোবিপুর গ্রামের বাসিন্দা অমিত ঘোষকে পারিবারিক দেখাশোনার মাধ্যমে বিয়ে করেন।

    বিয়ের পর থেকেই তিনি বুঝতে পারেন তার স্বামী মদ্যপ এবং একাধিক পরকীয়াতে যুক্ত। বিয়ের পর থেকেই তার ওপর চলতে থাকে অমানুষিক ও পাশবিক নির্যাতন। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে কিছুদিন আগে তিনি শ্বশুর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে আসেন। তারপর কৃষ্ণগঞ্জ থানায় বধূ নির্যাতন এবং বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন। সেই ঘটনার রেস ধরেই বুধবার রাতে তার স্বামী অমিত ঘোষ এবং তার বড় ভাসুর সমীর ঘোষ যৌথভাবে মৌমিতা ঘোষের দিদিমার বাড়ি ভাজনঘাট বাসস্ট্যান্ডের এলাকায় হাজির হন।

    অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র হাতে মদ্যপ অবস্থায় আসেন। তারপর মৌমিতা ঘোষকে হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করতে উদ্ধত হন।। চিৎকার শুনে মৌমিতা ঘোষের মা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে মেয়েকে সরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। সে সময় সামনে থেকেই জামাই অমিত ঘোষ হাসুয়া দিয়ে সুমিত্রা ঘোষকে মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাতাড়ি কোপান। তারপর হাঁসুয়া ফেলে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

    স্থানীয়দের সহযোগিতায় সুমিত্রা ঘোষকে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা করেন। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাণকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। ঘটনার খবর পেয়ে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ হাসপাতালে আসে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে ।
  • Link to this news (News18 বাংলা)