আততায়ীর গুলিতে মৃত্যু হয় গ্যাংস্টার আতিকের, জেলবন্দি দাদাকে দেখতে গিয়ে প্রাণ গেল ছোট ছেলেরও
প্রতিদিন | ০৬ আগস্ট ২০২৬
উমেশ পাল হত্যা মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন গ্যাংস্টার রাজনীতিবিদ আতিক আহমেদ। পুলিশ হেফাজতে অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল তার। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল আতিকের ছোট ছেলে আবান আহমেদের। ঝাঁসি শহরে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়ি একটি ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। এর ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আবানের। একই গাড়িতে থাকা আবানের বন্ধু সোনু-রও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিছক দুর্ঘটনা নাকি বিরোধী গ্যাংয়ের ষড়যন্ত্র, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ঝাঁসির এসএসপি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ দুর্ঘটনার খবর মেলে। দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, হুন্ডাই ক্রেটা গাড়িতে মোট পাঁচজন ছিলেন। তাঁরা প্রয়াগরাজ থেকে ঝাঁসির দিকে যাচ্ছিলেন। সেখানে জেলে বন্দি এক ভাইয়ের সঙ্গেই দেখা করতে যাচ্ছিলেন আবান। পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। এর জেরে আবান এবং সোনুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অন্য তিনজন। চিকিৎসার জন্য তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আতিক আহমেদের পাঁচ ছেলে। বড় ছেলে উমর আহমেদ লখনউ জেলে বন্দি। আলি আহমেদ ঝাঁসি জেলে রয়েছে। তৃতীয় ছেলে আসাদ ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঝাঁসিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। চতুর্থ ছেলে আহজাম বাইরে আছে। বৃহস্পতিবার পঞ্চম তথা ছোট ছেলে আবানের মৃত্যু হল দুর্ঘটনায়।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল সাংবাদিকের ছদ্মবেশে আসা তিন আততায়ীর গুলিতে নিহত হয় গ্যাংস্টার রাজনীতিবিদ আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাই আশরাফ। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে পুলিশ যখন তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখন লাইভ টিভি সম্প্রচারের মধ্যেই আততায়ী হামলা চালিয়েছিল। যা দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ।