• রাজনীতি ছেড়ে শিক্ষকতার চাকরি নিলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ! বললেন, ‘পেনশন তো পাব’
    প্রতিদিন | ০৪ আগস্ট ২০২৬
  • ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পূর্ব ত্রিপুরা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, জয়লাভও করেছিলেন তিনি। কিন্তু গত আড়াই বছর ধরে দলে তেমন সক্রিয় ছিলেন না। অবশেষে রাজনীতি ছেড়ে সরকারি স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি নিলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা। তিনি জানিয়েছেন, জীবনের লক্ষ্য পূরণ এবং পেনশনের জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ত্রিপুরার ধলাই জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে বাস করেন রেবতী। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর। রাজনীতিতে পা রাখার আগে ২০০১ সাল থেকে তিনি একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। ২০১৪ সালে রেবতী বিজেপিতে যোগ দেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দল তাঁকে পূর্ব ত্রিপুরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে। এরপর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নতুন গতি আসে। নির্বাচনে জয়লাভও করেন তিনি। 

    তবে গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এই আসন থেকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছিল কৃতি দেবী দেববর্মনকে, যিনি ‘টিপ্রা মথা’ পার্টির প্রধান ও ত্রিপুরার রাজপরিবারের সদস্য প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মার বোন। রেবতী ত্রিপুরার বিজেপির কোর কমিটির সদস্য হিসাবে বহাল থাকলেও, গত কয়েক বছরে দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাঁকে খুব একটা দেখা যায়নি। শেষমেষ দলের নতুন পদাধিকারীদের তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ পড়ে। এরপরই রেবতীর রাজনৈতিক জীবনে বিপর্যয় আসে।  

    রবিবার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রেবতী বলেন, “গত আড়াই বছর ধরে দলের কোর কমিটির সদস্য হিসাবে আমার কোনও কাজই ছিল না। সেই সময়ে আমি বিজেপি জনজাতি মোর্চার মাত্র একটি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলাম। বর্তমানে কোনও সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব না থাকায় আমি আমার পুরনো পেশায় ফিরে এসেছি।” তিনি আরও বলেন,  “শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাজ করে যদি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি, তাহলে শিক্ষকতাই চালিয়ে যাব। যদি তাতে মন না বসে, তবে স্বেচ্ছা অবসরেও যেতে পারি। অন্তত এই চাকরির পর মোটা অঙ্কের পেনশন পাব।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)