পূর্ণিয়ার সাংসদ রাজেশ রঞ্জন ওরফে পাপ্পু যাদবের উপর হামলা। নিজের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক করার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে জুতো ছুড়লেন এক যুবক। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। এদিকে পাপ্পুর অভিযোগ, ‘তাঁকে খুনের পরিকল্পনা করে ছুরি হাতে হামলা চালিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। কপালজোরে বেঁচে গিয়েছি।’ এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনার প্রতিবাদে সংসদ চত্বরে এক নাটক মঞ্চস্থ করেছিলেন পাপ্পু যাদব। এই ঘটনায় হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। সেই ইস্যুতেই রবিবার দিল্লিতে নিজের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব। অভিযোগ, সেখানেই হঠাৎ এক যুবক পাপ্পুকে খুনের হুমকি দেন এবং তাঁর দিকে জুতো ছুড়ে মারেন। পালটা পাপ্পুর সমর্থকরা ওই যুবককে ধরে ফেলেন। সেখানেই বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। সবশেষে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।
এদিকে এই হামলার ঘটনায় পাপ্পু বলেন, “আমার বাড়িতে ঢুকে আমায় আক্রমণ করা হয়েছে। এখন কী আমার সঙ্গে কেউ দেখা করতেও আসতে পারবে না? আমায় খুন করার উদ্দেশে ছুরি নিয়ে এসেছিল হামলাকারী।” তাঁর বিরুদ্ধে বড়সড় ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ তুলে পাপ্পু বলেন, “কিছু সাধু রোজ বলছে আমাকে মেরে ফেলতে পারলে ৫১ লক্ষ টাকা দেবে। এখানে আমায় হত্যার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তবে কপালজোরে বেঁচে গিয়েছি। গত রাতে আমার পরিবারের সদস্যদের হেনস্থা করা হয়েছে। আমি কিছু বলিনি। ২০০ কিলো সোনা-রুপো গেল কোথায়? এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আমি সেই প্রশ্ন তুলবই।” দিল্লি পুলিশের দিকেও অভিযোগের আঙুল তুলে পাপ্পু বলেন, ”দিল্লি পুলিশ তো অন্যান্য ক্ষেত্রে বেশ সক্রিয়। অথচ আমি অনেকদিন ধরেই নিরাপত্তা চেয়ে আসছি। সেটাকে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।”
এদিকে পাপ্পু যাদবের আইনজীবী বলেন, “আজকের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি দিল্লি পুলিশের ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছু নয়। দিল্লি পুলিশ আশ্বাস দিয়েছিল তাঁকে পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। অথচ ঘটনার সময় সেখানে মাত্র ৩জন পুলিশকর্মী উপস্থিত ছিলেন।”