: কাটোয়া শহরের বিভিন্ন সবজি বাজারে আচমকা পরিদর্শনে নামলেন স্থানীয় বিধায়ক, কাটোয়ার এসডিপিও এবং কাটোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক। বাজারে ঘুরে বিভিন্ন সবজির খুচরো বিক্রিমূল্য, পাইকারি ও খুচরো দামের ব্যবধান এবং বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। উদ্দেশ্য ছিল, কোথাও অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কি না, কালোবাজারি বা ফড়েরাজের কারণে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করা। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রশাসনিক কর্তারা।
বিধায়ক কৃষ্ণ ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন, “সাধারণ মানুষ যাতে সঠিক দামে সবজি পায় এবং কালোবাজারি যেন বন্ধ হয় সেই কারণেই এই পরিদর্শন। সবজির দাম ঠিকঠাক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখলাম সবকিছু কাটোয়া বাজারে ঠিকঠাক রয়েছে।” বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। জানা গিয়েছে সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কালোবাজারি, ওজনে কারচুপি কিংবা অতিরিক্ত দাম আদায়ের বিরুদ্ধে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে চাষিরা যাতে ন্যায্য দাম পান এবং ক্রেতারাও যাতে অযথা বেশি দামে সবজি কিনতে বাধ্য না হন, সেই বিষয়েও নজর রাখা হবে।
সবজি বিক্রেতা সুজিত দাস বলেন, “এরকম পরিদর্শন মাঝেমধ্যেই হওয়া উচিত বিধায়কের এই উদ্যোগ দেখে এবং প্রশাসনের এই উদ্যোগকে দেখে খুব ভাল লাগছে। এইরকম চলতে থাকলে কালোবাজারি বন্ধ করা সম্ভব হবে।” বাজার পরিদর্শনকে স্বাগত জানিয়েছেন অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও। তাঁদের দাবি, বর্তমানে বাজারে বেশিরভাগ সবজিই নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে এবং ওজনের ক্ষেত্রেও নিয়ম মেনেই ব্যবসা করা হচ্ছে। প্রশাসনের এই ধরনের নিয়মিত নজরদারি থাকলে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং বাজারে স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলেই মত তাঁদের। সাধারণ মানুষের স্বার্থে বাজারে নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেই জানিয়েছে প্রশাসন। আর নিয়মিত এই ধরনের পরিদর্শন হলে কালোবাজারি ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়ী উভয় পক্ষই।