• গঙ্গার বুকে ছুটবে দ্রুতগতির 'Water Taxi'! শহরের যানজট কমাতে চালু হচ্ছে দূষণহীন 'মেগা প্রকল্প'
    News18 বাংলা | ০২ আগস্ট ২০২৬
  • হুগলি নদীর (গঙ্গা) জলপথকে কাজে লাগিয়ে কলকাতা ও হাওড়া শহরের নিত্যদিনের যানজট সমস্যা স্থায়ীভাবে দূর করতে বড়সড় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী ফেরি পরিষেবার পাশাপাশি এবার চালুর মুখে উচ্চগতির ‘ওয়াটার ট্যাক্সি’। ওয়াটার মেট্রোর পর এবার নতুন প্রকল্প।

    দ্বিতীয় হুগলি সেতু (বিদ্যাসাগর সেতু) থেকে বালি ব্রিজ: সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রী উমেশ রাই তাঁর ভাষণে গঙ্গার জলপথ ব্যবহারের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। তিনি জানান, দ্বিতীয় হুগলি সেতু (বিদ্যাসাগর সেতু) থেকে বালি ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তৃত গঙ্গাবক্ষে বর্তমানে মূলত ভারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও অল্প কিছু লঞ্চ চলাচল করে। এত বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও শহরের পরিবহন ব্যবস্থায় নদীপথের ব্যবহার সীমিত। এই সমস্যা দূর করতেই ওয়াটার মেট্রো ও অ্যাপ-ভিত্তিক ওয়াটার ট্যাক্সি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    রাইড শেয়ারিং অ্যাপ: ওলা (Ola) বা উবের (Uber)-এর মতো রাইড শেয়ারিং অ্যাপের ধাঁচে অ্যাপ-ভিত্তিক ওয়াটার ট্যাক্সি পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। চলবে দ্রুতগতির ওয়াটার ট্যাক্সি। এগুলো হবে ৫, ৭ বা ১০ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হাই-স্পিড স্টিমার বা বোট। শালিমার, বাগবাজার, খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজ, ব্যারাকপুর-সহ গঙ্গাপাড়ের প্রধান প্রধান স্থানগুলোতে সুনির্দিষ্ট জেটি গড়ে তোলা হবে।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় চালু নাইট বাস পরিষেবা, এই বিশেষ ‘রুটে’ ছুটবে সবচেয়ে বেশি বাস! কোন রুটে জানেন? দেখে নিন তালিকা

    একাকী বা দলবদ্ধভাবে অ্যাপের মাধ্যমে ওয়াটার ট্যাক্সি : যাত্রীরা প্রয়োজন অনুযায়ী একাকী বা দলবদ্ধভাবে অ্যাপের মাধ্যমে ওয়াটার ট্যাক্সি বুক করে নির্দিষ্ট ভাড়ায় গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে ওয়াটার মেট্রো পরিবহন মন্ত্রকের উদ্যোগে রাজ্যে ওয়াটার মেট্রো প্রকল্পও দ্রুত এগোচ্ছে।

    ওয়াটার মেট্রোর জাহাজ নির্মাণের কাজ শুরু: বক্তা জানান, হাওড়ার নাজীরগঞ্জে অবস্থিত ইতিমধ্যেই ওয়াটার মেট্রোর জাহাজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গেছে। হাওড়া ও কলকাতার অত্যন্ত ব্যস্ত সড়কপথের গাড়ির চাপ ও যানজট দূর হবে।জলপথে অনেক কম সময়ে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

    দূষণমুক্ত এই পরিবহন ব্যবস্থা: দূষণমুক্ত এই পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে শহরকে আবর্জনামুক্ত, দখলমুক্ত এবং সুন্দর-সবুজ করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। রাজ্যের মন্ত্রী উমেশ রাই উল্লেখ করেন, এই বিপুল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও সমাজের সব স্তরের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজন।
  • Link to this news (News18 বাংলা)