: স্কুল শিক্ষকদের গৃহশিক্ষকতা বিতর্কের স্থায়ী সমাধানের দাবি উঠছে এবার। এ নিয়ে বেকার যুবতীদের অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিন ধরেই। তারা এই ঘটনা রোখার দাবি তুলেছেন। এবার আরও জোর কদমে এই সমস্যার সমাধান চেয়েছেন তাঁরা। স্কুল শিক্ষকরা যাতে গৃহশিক্ষকতা না করেন তার জন্য স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। তা স্বত্ত্বেও এই কাজ চলছে। এ দিকে এ নিয়ে শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে শিক্ষাবিদ চন্দন মাইতি জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে শিক্ষক সংগঠন গুলির সঙ্গে শিক্ষা দফতরের বৈঠক হওয়া প্রয়োজন।
সম্প্রতি স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে কারা গৃহশিক্ষকতা করেন তা জানতে চাওয়া হয় স্কুলগুলির কাছে। এ নিয়ে মথুরাপুরের কাশীনগরের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুরজিৎ পুরকাইতের কাছেও জানতে চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ব্যাপারটি খুবই জটিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষক সংগঠনের প্রধান চন্দন মাইতি। অনেক অভিভাবক চান স্কুলের শিক্ষকদের কাছে পড়াতে। কিন্তু রাইট টু এডুকেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী সেই কাজ করা যায় না। ফলে বিতর্ক আছেই।
কিন্তু কোনও শিক্ষক যদি বিনা পারিশ্রমিকে পড়ান। স্কুল ছুটি বা শুরুর আগে বিনামূল্যে যদি পিছিয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ক্লাস করেন। অথবা বাড়িতেও যদি বিনামূল্যে পড়ান তাহলে সেই বিষয়টিও দেখা উচিত। বিষয়টি নিয়ে ভাবার সময় এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও বেকার যুবক-যুবতীদের দাবি এই প্রবণতা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।