পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম গণেশ পোদ্দার। আহত স্ত্রীর নাম বিনা পোদ্দার। গতকাল রাতে ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষে নিজের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন গণেশ। রাতে বোনের বাড়িতে প্রসাদ দিতে গেলে সেখানেই স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলে অভিযোগ। স্ত্রী তাঁকে গালিগালাজ করেন বলেও দাবি স্বামীর। এরপর বাড়িতে ফিরে ফের দু’জনের মধ্যে গন্ডগোল চরমে ওঠে।
অভিযোগ, রাতে স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়ার পর ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর গলায় কোপাতে শুরু করেন গণেশ পোদ্দার। স্ত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে না গিয়ে পরে চাকদহ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিনা পোদ্দারকে প্রথমে চাকদহ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা যথেষ্ট আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত স্বামীর দাবি, তাঁর স্ত্রীর এলাকার এক যুবকের সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করতেন। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই দু’জনের মধ্যে অশান্তি চলছিল। প্রায়শই এই নিয়ে তাঁদের মধ্যে গন্ডগোল হত। গতকাল রাতে মাথা ঠিক রাখতে না পেরে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেন বলে দাবি গণেশের।ঘটনায় গণেশ পোদ্দারকে গ্রেফতার করেছে চাকদহ থানার পুলিশ। আজ তাঁকে কল্যাণী মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।