২০ কেজি মাংস না দেওয়ায় মারধর, অভিযোগ মৎস্য কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
বর্তমান | ২৭ জুলাই ২০২৬
সংবাদদাতা, বারুইপুর: এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্রের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, হামলা ও মারধরের অভিযোগ দায়ের হল বারুইপুর থানায়। বারুইপুরের বলরামপুরের বাসিন্দা পেশায় মাংস বিক্রেতা রমেন সর্দার রবিবার থানায় করা অভিযোগে বলেছেন, করোনার সময় লকডাউন চলাকালীন জয়ন্ত ভদ্র ২০ কিলো মাংস চেয়েছিলেন। তা দিতে অস্বীকার করায় রমেন সর্দার ও তাঁর পরিবারকে মারধর করা হয়। তাঁর বাড়িও ভাঙচুর করা হয়। বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে বিষয়টি জানতে চেয়ে জয়ন্ত ভদ্রকে ফোন করা হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। আর বারুইপুরের বিজেপি নেতা চন্দন মণ্ডল বিষয়টি নিয়ে বলেন, তৃণমূল আমলে থানায় অভিযোগ করা হলেও কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আমরা চাই পুলিশ তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করুক।
এদিকে, অভিযোগকারী রমেন সর্দার বলেন, বলরামপুরে আমার ছোট্ট একটি মাংসের দোকান ছিল। ২০২০ সালের ২৮ জুন জয়ন্ত ভদ্র এবং তাঁর গাড়ির চালক বিশ্বজিৎ ঘোষ সহ অন্যরা আমার কাছে ২০ কিলো মাংস দাবি করেন। আমি দিতে অস্বীকার করায় রাতে আমার বাড়িতে চড়াও হন তাঁরা। আমাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। স্ত্রী জয়ন্তীও রক্ষা পাননি। বাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পরিবার নিয়ে আমি অন্যত্র ভাড়া থাকতে বাধ্য হই। রমেনবাবু আরও বলেন, আমি এর আগে থানায় অভিযোগ করলেও কোনো কাজ হয়নি। এবার দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি।