ছাত্র মিছিলে কলকাতার ধর্মতলায় ধুন্ধুমার, সাংবাদিকদের হেনস্তা! শুক্রবারের সেই ঘটনার তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশ এখনও অবধি ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত মহম্মদ আফরোজ। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারীরা একাধিক তথ্যতালাশে নামে। ধৃতের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্কের বিষয়টিও সামনে এসেছে! ধৃত মহম্মদ আফরোজ কি তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী? সেই প্রশ্নও উঠেছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আফরোজ মেটিয়াবুরুজ এলাকার বাসিন্দা। এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী হিসেবেও তিনি পরিচিত! শুধু তাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে একাধিক তৃণমূল নেতার ছবিও রয়েছে। তৃণমূলের দলীয় পতাকা নিয়ে মিছিলে হাঁটতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে! ভোটের প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী আবদুল খালেকের হয়ে প্রচারও করেছিলেন! ভোটে জিতে আবদুল খালেক এখন মেটিয়াবুরুজ কেন্দ্রের বিধায়ক। তাহলে কি বিধায়কের যথেষ্ঠ পরিচিত এই যুবক?
শুধু তাই নয়, আফরোজের সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও, রিলস রয়েছে। বন্দুক নিয়ে রিলসও রয়েছে। যদিও সেটি আসল নাকি নকল বন্দুক? সেই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করা একাধিক ছবি, ভিডিওতে নিজেদের ‘মাফিয়া গ্যাং’ ‘টিম মাফিয়া’ বলেও উল্লেখ রয়েছে। যদিও মহম্মদ আফরোজের সামাজিক মাধ্যমে ছবি, ভিডিও, রিলসের সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। বিধায়কের সঙ্গে কি তাঁর যোগাযোগ রয়েছে? সেই জল্পনাও গ্রেপ্তারির পরে ছড়িয়েছে। যদিও আফরোজের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার কোনও বিষয়ই মানতে নারাজ বিধায়ক আবদুল খালেক। তিনি জানিয়েছেন, মিছিলে অনেকেই উপস্থিত হয়। সবার সঙ্গে পরিচয় থাকবে, তেমন কোনও বিষয় নেই।
ধর্মতলার হিংসার ঘটনায় পুলিশ আফরোজকে গ্রেপ্তার করেছে। গুন্ডাদমন আইনে মামলা হয়েছে। সেই বিষয়ে বিধায়কের বক্তব্য, পুলিশ তাদের কাজ করছে। দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তি হবে। এই বিষয়ে তাঁর আলাদা করে কিছু বলার নেই। আফরোজের সঙ্গে তাঁর কোনও পরিচয়, যোগাযোগের বিষয় সরাসরি খারিজ করেছেন তৃণমূলের মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক।