• এখন জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের দায়িত্ব স্বাস্থ্যকর্তাদের কাঁধে
    বর্তমান | ২৬ জুলাই ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পঞ্চায়েত প্রধান, পুরসভার চেয়ারম্যান বা এগজিকিউটিভ অফিসার নয়, জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের বিষয়ে রেজিস্ট্রারের প্রধান দায়িত্ব পালন করবেন নির্দিষ্ট জেলার জেলাশাসক তথা ডিস্ট্রিক্ট রেজিস্ট্রার। সরকারি নির্দেশ তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে এই কথা জানিয়েছেন। ‘রেজিস্ট্রেশন অব বার্থস অ্যান্ড ডেথস অ্যাক্ট ১৯৬৯’ প্রয়োগ করে এবং পূর্ববর্তী বিভিন্ন পরিবর্তন খারিজ করেই এই নির্দেশ জারি করল রাজ্য। শুধু তাই নয়, এই কাজে জেলাশাসক বেশ কিছু আধিকারিককে নিয়োজিত করবেন। যেমন, ব্লক স্তরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং গ্রামীণ হাসপাতালে এই দায়িত্ব পালন করবেন বিএমওএইচ এবং গ্রামীণ হাসপাতালের সুপার। ওই নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, নিজ নিজ হাসপাতালে জন্ম ও মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব পালন করবেন জেলা, মহকুমা, স্টেট জেনারেল হাসপাতাল এবং স্টেট স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার। একইভাবে সমস্ত মেডিকেল কলেজের সুপার তথা উপাধ্যক্ষ সেই হাসপাতালে হওয়া (শহরাঞ্চল বা গ্রামীণ এলাকা) জন্ম ও মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব পালন করবেন। পূর্বোক্ত দু’টি ক্ষেত্রেই এই দায়িত্বের বাইরে থাকবে স্থানীয় পুরসভা বা কর্পোরেশন এলাকা। অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও এবং জয়েন্ট মিউনিসিপ্যাল কমিশনার (কলকাতা কর্পোরেশন এলাকা) নিজেদের এলাকায় অতিরিক্ত জেলা রেজিস্ট্রার হিসাবে কাজ করবেন। জেলার ক্ষেত্রে জেলাশাসক প্রতিটি পুরসভার জন্য একজন করে সরকারি আধিকারিককে রেজিস্ট্রার নিয়োগ করবেন। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা কর্পোরেশনের কমিশনার একজন সরকারি আধিকারিককে সেই দায়িত্ব অর্পণ করবেন। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের জায়গায় পূর্বতন সরকারের চালু করা জন্ম মৃত্যু তথ্য পোর্টাল বন্ধ হয়ে যাবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে। রাজ্য তখন আর পাঁচটি রাজ্যের মতোই এ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমে যুক্ত হবে।    
  • Link to this news (বর্তমান)