ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার পরও রণক্ষেত্র যন্তর মন্তর! পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর, আহত একাধিক
প্রতিদিন | ২৬ জুলাই ২০২৬
পড়ুয়াদের দাবি মেনে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর ইস্তফার ঘটনা সামনে আসার পর শনিবার ফের রণক্ষেত্রের চেহারা নিল যন্তর মন্তর। বিক্ষোভস্থল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠল। পরিস্থিতি সামাল দিতে মৃদু লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। এদিকে পাথরের আঘাতে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সিপির পাশাপাশি দুই পুলিশ আধিকারিক আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, শনিবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই যন্তর মন্তরের পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। শুরু হয় পাথর ছোড়াছুড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে হালকা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ভিড়কে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। সূত্রের খবর, কোনওভাবে একদল বিক্ষোভকারী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে অশান্তির সূত্রপাত ঘটে। নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সিপির পাশাপাশি দুই পুলিশ আধিকারিক আহত হন। তাঁদের দ্রুত নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
এদিকে সিজেপির তরফে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর শনিবার রাজীব চক, মান্ডি হাউস এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট মেট্রো স্টেশনের দরজা ফের খুলে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভের জেরে গত কয়েকদিন ধরে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আপাতত ৪টি মেট্রো স্টেশন খুলে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ব্যাপক বিতর্কের জেরে শনিবার সকালে ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠান। পাশাপাশি সোশাল মিডিয়ায় প্রধান লেখেন, “দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি।” তাঁর দাবি, “ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।”