• মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই কি শুভ মহরৎ? হাবড়া মুক্তিধামে বড় ধামাকা হতে চলেছে শীঘ্রই
    News18 বাংলা | ২৬ জুলাই ২০২৬
  • : আট বছরের অপেক্ষার অবসান, উদ্বোধনের পথে হাবড়া মুক্তিধাম অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক চুল্লি। আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই উদ্বোধন হতে চলেছে হাবড়া মুক্তিধাম শ্মশানের অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক চুল্লি। নির্মাণকাজ এখন শেষ পর্যায়ে। প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই মুক্তিধাম পরিদর্শনে করেছেন হাবড়ার বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল।

    মুক্তিধাম চত্বর ঘুরে দেখে বিধায়ক জানান, এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করতেই এই আধুনিক ইলেকট্রিক চুল্লি নির্মাণ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এতদিন শেষকৃত্যের জন্য বহু পরিবারকে নৈহাটি বা গঙ্গাতীরবর্তী অন্যান্য শ্মশানে যেতে হতো। নতুন ইলেকট্রিক চুল্লি চালু হলে হাবড়া-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার হাজার হাজার মানুষের সেই দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। শুধু ইলেকট্রিক চুল্লিই নয়, মুক্তিধামের সামগ্রিক পরিকাঠামোরও উন্নয়ন করা হচ্ছে। অপেক্ষমাণ পরিবার-পরিজনের জন্য বসার ব্যবস্থা, বৃষ্টি ও রোদ থেকে সুরক্ষার জন্য আধুনিক শেড নির্মাণ এবং শ্মশান চত্বরকে আরও পরিচ্ছন্ন ও সুপরিকল্পিত করে তোলার কাজ চলছে।

    প্রশাসনের দাবি, আধুনিক ও মানবিক পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল বলেন, বহু বছর ধরে এই প্রকল্পের কথা শোনা গেলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এবার সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীকে আনার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, ইলেকট্রিক চুল্লি চালু হলে শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব হবে। একই সঙ্গে শ্মশানে আসা সাধারণ মানুষের জন্যও পরিষেবার মান অনেকটাই উন্নত হবে। স্থানীয় এলাকাবাসীদের কথায় দীর্ঘদিন ধরেই এই শ্মশানে দাহকার্য সারতে আসা মানুষজন স্বাভাবিক পুলিশ সেবা ব্যাহত হত। বর্ষা বৃষ্টি হলে দাহকার্য সারতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটত। এলাকার পরিবেশও দূষণ হত। নতুন এই শ্মশান হলে আর সেই সমস্যাগুলি হবে না। এলাকার পরিবেশও আগের থেকে ভাল হয়ে উঠবে ফলে অসামাজিক কার্যকলাপ ও আটকানো সম্ভব হবে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের দিন ঘোষণার অপেক্ষায় হাবড়াবাসী।
  • Link to this news (News18 বাংলা)