• কলকাতায় চুপিসারে সিঁধ কাটছে করোনা! নতুন করে আক্রান্ত ৮, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে কী মত চিকিৎসকদের?
    প্রতিদিন | ২৫ জুলাই ২০২৬
  • জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহজুড়ে খামখেয়ালি আবহাওয়া শহরে। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি-কাশি লেগেই রয়েছে। এই আবহেই ফের অশনি সংকেত বয়ে আনছে করোনা! শহরের হাসপাতালগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইনফ্লুয়েঞ্জার পাশাপাশি নিঃশব্দে থাবা বসাচ্ছে মারণ ভাইরাস।

    মেডিক্যাল তথ্য বলছে, এক সপ্তাহের মধ্যে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে বেড়েই চলেছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সাধারণ জ্বর-সর্দি-কাশির সূত্র ধরেই শরীরে বাসা বাধছে করোনা? কলকাতায় ৮ জনের কোভিড পজিটিভ আসায় নতুন করে উদ্বেগ চিকিৎসক মহলে।

    চিকিৎসকরা বলছেন,করোনাভাইরাস এবং কোভিড-১৯ এক বিষয় নয়। করোনাভাইরাস আসলে একটি ভাইরাসের গোষ্ঠী, যার মধ্যে সাধারণ সর্দি-কাশির চার প্রকার ভাইরাসও অন্তর্ভুক্ত। অনেক সময় সাধারণ ‘বায়োফায়ার টেস্ট’ করালে সেখানে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে, কিন্তু তার মানেই যে রোগী কোভিড আক্রান্ত-তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্টের ভুল ব্যাখ্যায় অযথা আতঙ্কিত হন রোগীরা।”

    চিকিৎসক সূত্রে জানা গিয়েছে, কোভিডের এই হঠাৎ বাড়বাড়ন্তে সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের বা কোভিডের মতো সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে আসা ব্যক্তিদের বিশেষ ‘আপার রেসপিরেটরি বায়োফায়ার টেস্ট’ করানো হচ্ছে। এই আধুনিক টেস্ট প্যানেলের সুবিধা হল, এর মাধ্যমে ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রে লুকিয়ে থাকা একাধিক ভাইরাসকে খুব দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। ফলে রোগীকে সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা দেওয়া সহজ হচ্ছে।  আক্রান্তদের মধ্যে আগের মতোই মূলত শ্বাসকষ্টজনিত একাধিক উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। তবে বর্তমানে ভাইরাসের প্রভাব এখনও পর্যন্ত আগের মতো ততটা মারাত্মক নয় বলেই মত চিকিৎসকের। যদিও এখনই এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত না হয়ে, বরং বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনে পথ বেছে নেওয়াকেও শ্রেয় বলে মনে করছে চিকিৎসক মহল।
  • Link to this news (প্রতিদিন)