২০২৪ সালের জুন মাসে বিধ্বংসী আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছিল উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী হলং বাংলো। নতুন করে ওই বাংলো নির্মাণ চলছে। হলং বাংলো বিষয়ে বড় বার্তা দিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও। এবার আর কাঠের নয়, বাংলো তৈরি হচ্ছে কংক্রিটের। উদ্বোধন করতে পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসেই হলং বাংলো পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
উত্তরবঙ্গের জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের হলং বন বাংলো বাংলার পর্যটনে ঐতিহ্যবাহী জায়গা। সবুজ ঘেরা প্রকৃতির মধ্যে সম্পূর্ণ কাঠের তৈরি এই বাংলো পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণের জায়গা ছিল। ২০২৪ সালের ১৮ জুন রাতে ঘটেছিল ভয়ানক ঘটনা। বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের হলং বন বাংলো। পরে তদন্তে জানা যায় ৮ কামরার এই বনবাংলোর তিনতলায় ৩ নম্বর ঘরে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে গোটা বাংলো পুড়ে গিয়েছিল।
রাজ্যে বিজেপি সরকারে আসার পরেই হলং বাংলো দ্রুত খোলার কথা বলা হয়েছিল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নির্মাণকাজ চালাচ্ছে পূর্ত দপ্তরের নির্মাণ বিভাগ। গত মাসে বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ এই নির্মীয়মাণ বাংলো পরিদর্শনেও যান। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের মাদারিহাট এনআইসিতে একটি সমন্বয় বৈঠকও করেন তিনি। এদিন বিধানসভায় সেই বাংলো নিয়েই বার্তা দেন বনমন্ত্রী। মনোজ ওরাওঁ জানান, আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসেই হলং বাংলো পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে এবার আর কাঠের নয়, সম্পূর্ণ বাংলোটিই হবে কংক্রিটের। সেই কথাই জানানো হয়েছে। প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবনির্মিত ওই বাংলো উদ্বোধন করতে পারেন। বনদপ্তর সূত্রে সেই কথাই জানা গিয়েছে।