• বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবিতে মৃত মৎস্যজীবী পরিবারকে অর্থ সাহায্য-চাকরি, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
    প্রতিদিন | ২৩ জুলাই ২০২৬
  • বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে বাংলার ৯ মৎস্যজীবী প্রাণ হারিয়েছেন। এখনও নিখোঁজ ৬ জন। ৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর পুর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর থেকে রওনা দেওয়া ট্রলার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকখালিতে উদ্ধার হয় রবিবার। এই ঘটনায় সমাজ মাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার নিহত মৎস্যজীবী পরিবারের জন্য অর্থ সাহায্য ও চাকরি ঘোষণা করল বাংলার সরকার।

    বিধানসভায় দাঁড়িয়ে নিহত মৎস্যজীবী পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, “নিহতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজনকে সিভিকের চাকরি দেওয়া হবে।” সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে এই ট্রলারডুবির বিষয়ে শোকবার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ট্রলারডুবির ঘটনায় প্রাণহানির বিষয়টি অত্যন্ত মর্মান্তিক। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি আমি সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।” তিনি আরও জানিয়েছিলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।” এদিন রাজ্য সরকারের তরফেও অর্থ সাহায্য ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    এদিন সিকিমের দুর্ঘটনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, “ইতিমধ্যেই সিকিমের ঘটনাস্থলে নাগরাকাটার বিধায়ক পুনা ভেংরা ও কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামাকে পাঠিয়েছি। উদ্ধারকাজের জন্য সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাংয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি।” সেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে ‘সম্রাজ্ঞী’ বলে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আগে তো রাজ্য সরকারের প্লেন শুধু একজন সম্রজ্ঞী ব্যবহার করতেন। আমরা প্রয়োজনে উদ্ধারকাজের সুবিধার্থে সিকিমে আমাদের সরকারি বিমান পাঠাব বলে জানিয়েছি।” পাশাপাশি তিনি এও জানান, “মৃত শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। আর্থিক ক্ষতিপূরণ কোনও মৃত্যুর পরিপূরক যদিও নয়। আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়াও মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলাস্টিয়ারের কাজ দেওয়া হবে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)