সিকিমের টানেল ধসের উদ্ধারকার্যে বাংলার টিম, ১২ জনের দল পাঠাল সীতারামপুর মাইন্স রেসকিউ স্টেশন
প্রতিদিন | ২৩ জুলাই ২০২৬
সিকিমের এনএইচপিসি তিস্তা স্টেজে ৬ হাইড্রোইলেকট্রিক প্রজেক্টে ধসের উদ্ধারকার্যে দল পাঠাল বাংলা। উদ্ধার অভিযানে নামছে কোল ইন্ডিয়ার শাখা সংস্থা ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল)। এনডিআরএফ ও এনএইচপিসি-র আবেদনে সাড়া দিয়ে আসানসোলের ঐতিহ্যবাহী সীতারামপুর মাইন্স রেসকিউ স্টেশন থেকে দল পাঠানো হয়েছে। ১২ জনের অভিজ্ঞ উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।
ইসিএল সূত্রে জানা গিয়েছে, পানাগড় বিমানঘাঁটি থেকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিশেষ বিমানে উদ্ধারকারী দলকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাগডোগরায়। সেখান থেকে সড়কপথে পৌঁছেছেন সিকিমের নামচি জেলার দুর্ঘটনাস্থলে। নিয়ে যাওয়া হয়েছে আধুনিক ক্যাপসুল প্রযুক্তি। গভীর সুড়ঙ্গে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার বিশেষ যন্ত্র-সহ ভূগর্ভস্থ উদ্ধারকাজের ব্যবহৃত অত্যাধুনিক সরঞ্জাম।
এই দলটি বিশেষ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। একাধিক উদ্ধারকার্যে ঝাঁপিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০২৩ সালে উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা টানেলে ধসে আটকে পড়া ৪১ জন শ্রমিককে উদ্ধারকার্য অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল এই দল। তাছাড়া ১৯৮৯ সালে রানিগঞ্জের মহাবীর কোলিয়ারিতে জল ঢুকে আটকে পড়া ১৯৬৫ জন খনি শ্রমিককে বিশেষ ক্যাপসুলের সাহায্যে উদ্ধার করার ইতিহাস রয়েছে এই সীতারামপুর মাইন্স রেসকিউ স্টেশনের। ইসিএল চেয়ারম্যান সতীশকুমার ঝা বলেন, “দেশের যে কোনও প্রান্তে খনি বা টানেল দুর্ঘটনায় সাহায্য করতে ইসিএল সবসময় প্রস্তুত। এই দলটি আটকে থাকা মানুষদের প্রাণ বাঁচাতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে।”