নীতি আয়োগের নয়া সিইও খড়গপুর আইআইটির প্রাক্তনী! নাম ঘোষণা কেন্দ্রর
প্রতিদিন | ২৩ জুলাই ২০২৬
নীতি আয়োগের সিইও পদে নতুন মুখ। ১৯৮৯ ব্যাচের আইএএস অনুরাগ জৈনকে বসানো হল এই পদে। মধ্যপ্রদেশ ক্যাডারের এই আধিকারিক অতীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে শুরু করে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যসচিব- একাধিক দায়িত্ব পালন করেছেন। আগামী দু’বছর নীতি আয়োগের সিইওর কুর্সিতে দেখা যাবে অনুরাগকে। উল্লেখ্য, মাসতিনেক আগেই নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন বাংলার প্রাক্তন বিধায়ক অশোক লাহিড়ী।
নীতি আয়োগের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তাঁর অধীনে থাকেন ভাইস চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য সদস্যরা। সিইওকেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে নীতি প্রণয়ন, কেন্দ্র-রাজ্যের যোগসূত্র বজায় রাখা, নীতির যথাযথ বাস্তবায়ন-এমন নানা দায়িত্ব থাকে সিইওর কাঁধে। নীতি আয়োগের দৈনন্দিন কার্যকলাপও পরিচালনা করেন তিনি। সেই পদে নিযুক্ত হলেন অনুরাগ। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে তিনি ছিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যসচিবের পদে।
ছোটবেলা থেকে পড়াশোনা এবং খেলাধুলায় সমানভাবে পারদর্শী ছিলেন অনুরাগ। ১৯৮৬ সালে খড়গপুর আইআইটি থেকে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক পাশ করেন। তার আগে জাতীয় পর্যায়ে টেনিস খেলেছেন, জিতেছেন অন্তত ১১টি পদক। মধ্যপ্রদেশের প্রতিনিধিত্বও করেছেন ক্রিকেটে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করলেও জনসেবার লক্ষ্য নিয়ে বসেন ইউপিএসসিতে। ১৯৮৯ সালে আইএএস হলেও পরবর্তীকালে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর পাশ করেন অনুরাগ।
উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনে অশোক লাহিড়ীকে টিকিট দেয়নি বিজেপি। তবে টিকিট না দিলেও, তাঁকে বিরাট পদ দিল বিজেপি সরকার। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট কেন্দ্রে গতবার জিতেছিলেন অশোক। কিন্তু এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করেনি গেরুয়া শিবির। ভারত সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবে অতীতে কাজ করেছেন অশোক। এছাড়াও বাংলা থেকে বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাসকেও নীতি আয়োগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সদস্য হিসাবে। গতবছর বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্র গোবর্ধনকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। কিন্তু ভোটে জিততে পারেননি গোবর্ধন। এবার আইআইটি খড়গপুরের প্রাক্তনীকে আনা হল নীতি আয়োগে।