• ‘হাসপাতালে জল নেই...’! রোগীর এক ফোনেই গলল মন, নিজের পকেটের টাকা খরচ করে নজির গড়লেন মন্ত্রী
    News18 বাংলা | ২১ জুলাই ২০২৬
  • : একটি ফোন কল। আর সেই ফোন কলই বদলে দিল খাতড়া মহকুমা হাসপাতালের দীর্ঘদিনের জলের অভাবের চিত্র। ভোর সাড়ে পাঁচটা। হাসপাতালের এক ভর্তি রোগী সরাসরি ফোন করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা রানিবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডুকে। অভিযোগ একটাই যে হাসপাতালে নেই পানীয় জল, এমনকি বাথরুমেও মিলছে না জল।

    রোগীর সেই অসহায় আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে নিজের প্রথম মাসের মন্ত্রী ভাতার প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয় করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে ৫৫০ ফুট গভীর গভীর নলকূপ-সহ সাবমারসিবল পাম্প বসানোর উদ্যোগ নেন মন্ত্রী। এদিন ফিতে কেটে এই নতুন জল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধনের পর গভীর নলকূপ থেকে প্রথম ওঠা জল গ্লাসে তুলে পান করেন হাসপাতালের সুপার রতন শাসমল, মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু এবং উপস্থিত বিজেপি নেতৃত্ব। এর আগে হাসপাতালের একটি ছোট পানীয় জল প্রকল্প থাকলেও তা রোগীর চাহিদা পূরণে যথেষ্ট ছিল না। হাসপাতালটি টিলার উপরে হওয়ায় এখানে জল পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। অতীতে একাধিকবার বোরিং করা হলেও সাফল্য মেলেনি। ফলে হাসপাতালটি মূলত জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের নলবাহিত জলের উপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু সেই জলও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম ছিল।

    মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, জঙ্গলমহলের মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। একজন রোগীর ফোনে জলের সমস্যার কথা জানার পরই তিনি সিদ্ধান্ত নেন, নিজের প্রথম মাসের মন্ত্রী ভাতার অর্থ হাসপাতালের এই জরুরি সমস্যার সমাধানেই ব্যয় করবেন।

    হাসপাতালের সুপার রতন শাসমল জানান, নতুন গভীর নলকূপ ও সাবমারসিবল পাম্প চালু হওয়ায় রোগী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং কর্মীদের দীর্ঘদিনের জলের সংকট অনেকটাই দূর হবে। এই উদ্যোগে খুশি হাসপাতালের রোগী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং এলাকাবাসী।
  • Link to this news (News18 বাংলা)