কলকাতা শহরে অপরাধ দমন নিয়ে এর আগেই একাধিক বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলে পুলিশের তৎপরতা বেড়েছে পূর্বের তুলনায় আরও অনেক বেশি।
এবার একই সঙ্গে আরও কড়া নজরদারি ও অপরাধ দমনের জন্য কলকাতা পুলিশ নিতে চলেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শহরে অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ গুলির মধ্যে ১০০ নম্বর ডায়ালের গুরুত্ব অনেক বেশি বলেই মনে করছে কলকাতা পুলিশ। তাই নাগরিক পরিষেবাকে সুরক্ষিত করতে আরও ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে লালবাজার।
কলকাতা পুলিশের অন্তর্গত এলাকাগুলিতে বর্তমানে পুলিশ পৌঁছতে সময় লাগে ১২ থেকে ১৫ মিনিট কিংবা তার বেশি। সেই সময়টাকে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কমানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। লালবাজার পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সেই সময়কে কমিয়ে আনা হবে ৫ থেকে ৬ মিনিটে নামিয়ে আনা হবে।
তবে কলকাতা পুলিশের লোকবলের ঘাটতি রয়েছে। কেউ ১০০ ডায়ালে ফোন করে সাহায্য চাইলে তা কন্ট্রোল রুমে আসে। কন্ট্রোল রুম থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার পিসিআরের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
যিনি ফোন করেন তাঁর বিশদ বর্ণনা দিয়ে পিসিআরের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পিসিআরের কাছে ট্যাব থাকে। তাই দেখেই ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারবে পুলিশের টিম।
লালবাজারের কর্তারা মনে করছেন, ট্যাব পরিচালনা করার দক্ষতা এখনও অনেক পুলিশ কর্মীদের নেই। সেই কারণে তাদেরকে দক্ষ করে তুলতে আলাদা করে প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে পুলিশকর্মীদের। যাতে পরিষেবা আরও দ্রুত করা যায়।
শুধু যে কলকাতা পুলিশের অন্তর্গত থানার জন্য এখানে ফোন আসে তা নয়। রাজ্য পুলিশের অন্তর্গত এলাকা থেকেও ফোন আসে। সে ক্ষেত্রে ঠিকানা চিহ্নিত করে ভবানী ভবনের কাছে পাঠিয়ে দিতে হয়। বাকিটা তাঁরাই দেখে ব্যবস্থা নেন।
কলকাতা পুলিশের যুগ্ম নগরপাল সদর সুদীপ সরকার বলেন, 'অপরাধ দমন করার জন্য কলকাতা পুলিশ আরও কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে। এবার কেউ ১০০ ডায়াল করলে সঙ্গে সঙ্গে যাতে সেখানে ৫ থেকে ৭ মিনিটের মধ্যে আমাদের টিম পৌঁছে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা খুব শীঘ্রই করে ফেলা হবে। যাতে পরিষেবা আরও দ্রুত করা যায় সেই চেষ্টাই করছে কলকাতা পুলিশ।'